উদ্বোধনের আর মাত্র
০০
দিন
০০
ঘণ্টা
০০
মিনিট
০০
সেকেন্ড

বন্যার পানি নিষ্কাশনে নদী-নালা সচল রাখার তাগিদ আখাউড়ায়

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২২, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট: জুন ২১, ২০২২, ০৪:২৩ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় জনপ্রতিনিধি, উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক অংশ নেন।সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অংগ্যজাই মারমা।

 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. হিমেল খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী, আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সরকার, দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন, উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীপক চৌধুরী, ধরখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হান্নান খাদেম প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, মানুষ নদী-নালা খালে ময়লা আবর্জনা ফেলে ভরাট করে ফেলছে। পৌরশহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালন্দি খাল এবং দক্ষিণ ইউনিয়নের জাজি নদীতে ময়লা আবর্জনা জমে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। দখলদারা এসব খালে দোকান-পাট নির্মাণ করে খাল সংকুচিত করে ফেলেছে। উজানের পানি ও অতি বৃষ্টির পানি দ্রুত নিস্কাশনের জন্য নদী-নালা ও খালগুলো ময়লা আবর্জনা মুক্ত করতে হবে। এছাড়া হাওড়া নদীসহ অন্যান্য নদী দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা উজানের পানি যাতে দ্রুত নিষ্কাশন হয় সে ব্যপারে সচেত থাকতে হবে। সভায় নদী-নালা দখলমুক্ত করার উপর গুরুত্বারূপ করা হয়।

 

সভায় বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উপজেলার ৪৬টি স্কুলে আশ্রয় কেন্দ্র খোলার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। কারও বাড়িতে পানি উঠে গেলে সেখানে আশ্রয় দেওয়া হবে। ৫টি ইউউনিয়নে একজন চিকিৎসকের নেতৃত্বে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এছাড়া খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধ করণ টেবলেট দুর্গত এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে।

 

প্রতিটি ইউনিয়নের দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত হয়। গত ১৭ জুন আকষ্মিকভাবে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে আখাউড়ায় বন্যা দেখা দেয়। ৩ ইউনিয়নে অন্তত ১২টি গ্রামের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। তবে এখন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

 

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়