বাগেরহাটে ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের জামাতে করোনা মুক্তির দোয়া

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ এএম, ২১ জুলাই ২০২১

করোনা মহামারিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ জুলাই) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এই মসজিদের বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, বাগেরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চুসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। এই জামাতে ইমামতি করেন বাগেরহাট কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ।  

পরে সকাল পৌনে ৮টায় ষাটগম্বুজ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. হেলাল উদ্দিনের ইমামতিতে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সোয়া ৮টায় তৃতীয় ও শেষ জামাতে ইমামতি করেন আলহেরা আলিম মাদরাসার শিক্ষক ও সিঙ্গাইর মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

প্রত্যেকটি জামাতেই মুসল্লিদের আধিক্য ছিল। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় প্রত্যেকটি ঈদের জামাতে ষাটগম্বুজ মসজিদের বাইরের মাঠে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করলেও, এই ঈদের প্রথম জামাতে মসজিদের বাইরে সামান্য কিছু মুসল্লি ছিলেন। দ্বিতীয় ও শেষ জামাতে শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করেছেন মসুল্লিগণ। মুসল্লিদের প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ছিল। প্রতিটি জামাতেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেছেন। নামাজ শেষে সারিবদ্ধভাবে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করলেও যুগযুগ ধরে চলে আসা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন কোলাকুলি কেউ করেননি। তিনটি জামাতেই মুসলিম উম্মাহার শান্তি কামনা ও করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ।

ঈদের জামায়াতে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখক সদস্য নিয়োজিত ছিলো।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মুসল্লিগণও প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করেছেন। জেলার অন্য মসজিদেও যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করে সেজন্য ইমাম ও মসজিদ কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। সর্বোপরি করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।