ধুনটে বাঁধে আশ্রিত বাস্তুহারাদের খাদ্যাভাব

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৩:১৯ পিএম, ২৩ এপ্রিল ২০২১

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি: করোনা দুর্যোগকালে ভালো নেই বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙন রোধের বাঁধে আশ্রয় নেয়া বাস্তুহারা পরিবারের মানুষ। এমনিতে অভাবের মধ্যেই তাদের বসবাস, তার ওপর করোনা দুর্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়ায় দারিদ্র্যতা তাদের দুমড়েমুচড়ে ফেলছে। হাতে নেই কাজ, নেই কোনো রোজগার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে বহমান যমুনা নদী। বার বার নদী ভাঙনে এখানকার মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়েছেন। এর বড় অংশটি যমুনার বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন। করোনার কারণে বাস্তুহারা মানুষগুলো স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি নিয়ে যতটা উদ্বিগ্ন, তার থেকে বেশি উৎকণ্ঠিত ক্ষুধা নিবারণের জন্য। তাদের একটাই কথা-‘কাম না করলে খামু কেমনে? বউ-বাচ্চাকে কী খাওয়ামু? ’
কৃষি শ্রমিক মিরাজুল ইসলাম বলেন, বাঁধে আশ্রিত পরিবারের লোকজন দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনমজুর-শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালাতো। কিন্তু, এখন কারও কোনো কাজ নেই। এলাকাতেও নেই কোন রোজগারের ব্যবস্থা। পরিবারের সবাইকে নিয়ে খাবারের কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা পাননি।ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, বাঁধে আশ্রিত খেটে খাওয়া মানুষজন জীবিকার তাগিদে কাজে ছুটছেন। এখানে চলাফেরাতেও নেই কোনো সীমাবদ্ধতা। এসব মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে করোনা সংক্রমণ রোধে সঙ্গরোধ বা সামাজিক দূরত্বও নিশ্চিত হবে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিমুক্ত থাকবে বাঁধের মানুষও।