গাজীপুরে বনের জমিতে পুকুর, বেদখল ৫০ শতাংশ জমি উদ্ধার 

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২১

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের আওতাধীন সংরক্ষিত বন এলাকায় জবরদখল করে পুকুর তৈরি করা ৫০ শতাংশ জমি উদ্ধার করা হয়েছে। গাজীপুরে ভাওয়াল রেঞ্জের ভবানীপুর বিট অফিসের কাছে বেদখল হওয়া এই জমি পুলিশ, র‌্যাব ও বনরক্ষীদের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে বন বিভাগ।  
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজল তালুকদারের নেতৃত্বে সকালে অভিযান শুরু হয়। মাটি খননযন্ত্র ভেকু দিয়ে পাড় ভেঙে পুকুরের অংশ বিশেষ ভরাট করা এবং উদ্ধার করা জমিতে চারাগাছ লাগিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া বন রক্ষায় উদাসীনতা ও অবৈধ দখলদারদের সাথে আঁতাত করার অভিযোগে ভবানীপুর বিট অফিসার নাজিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ওই বিটের সকল বনকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

ঢাকা বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শ্যামল কুমার ঘোষ বনের জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ার পেছনে প্রভাবশালীদের দাপটকেই দায়ী করছে। বিষয়টি জানতে পেরে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে জায়গা উদ্ধার করা এবং দায়িদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান। ভবানীপুর বিট অফিসে আবুল কালাম সামসুদ্দিন নামে একজনকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বন বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে শিল্প মালিক ও প্রভাবশালীরা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জমি জবরদখল করে নিয়ে যাচ্ছে। এসব বন্ধ করতে না পারলে অচিরেই ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের গাছসহ জীববৈচিত্র্য বিলীন হয়ে যাবে।বিভাগীয় বন কর্মকতা কাজল তালুকদার জানান, জীববৈচিত্র্য  ও বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণে বনের বেহাত জমি উদ্ধারে আমরা তৎপর। দায়িত্ব অবহেলা এবং দখলদারদের সাথে আঁতাত করায় অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ওই বিটের উদাসীন সকল বনকর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও দখলকারীদের বিরুদ্ধে বন আইনে ৪টি মামলা রুজু করা হয়েছে।