ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে চ্যাম্পিয়ন মোসাদ্দেকের সেন্ট্রাল জোন।

প্রকাশিত: জানুয়ারী ১৫, ২০২২, ০৫:৪২ বিকাল
আপডেট: জানুয়ারী ১৫, ২০২২, ০৫:৪২ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

করতোয়া ডেস্ক: ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপে চ্যাম্পিয়ন সেন্ট্রাল জোন মূল কাজ করে দিয়েছেন বোলাররাই। বাকিটুকু শেষ করতে কষ্ট হলো না সেন্ট্রাল জোনের ব্যাটারদের। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপের ফাইনালে বিসিবি সাউথ জোনকে ৬ উইকেট আর ৪৫ বল হাতে রেখে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন।

এতে করে ঘরোয়া ক্রিকেটে এবারের মৌসুমে শিরোপার ‌‘ডাবল’ পূর্ণ করেছে সেন্ট্রাল জোন। ইন্ডিপেন্ডেন্স কাপের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।

ফাইনাল জিততে লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৬৪ রানের। দুই ওপেনার মিজানুর রহমান আর সৌম্য সরকার ভালো একটি সূচনা এনে দেন দলকে। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৬৫ রান। সৌম্য ২৫ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২১ করে নাসুম আহমেদের শিকার হয়ে ফিরলে ভাঙে এই জুটি।

পরের ওভারে আবদুল মজিদকে (১) তুলে নেন মাহেদি হাসান। এরপর মোহাম্মদ মিঠুন (৪) আর মিজানুরও (৫৩ বলে ৫ চার, ২ ছক্কায় ৩৯) অল্প সময়ের ব্যবধানে সাজঘরের পথ ধরলে ১৫ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল সেন্ট্রাল জোন।

সেখান থেকে আল আমিন হোসেন আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দারুণ জুটিতে সহজেই দলকে পৌঁছে দিয়েছেন জয়ের বন্দরে। এই জুটিতে মোসাদ্দেক কিছুটা ধীর থাকলেও সাবলীল ব্যাটিং করেছেন আল আমিন।

৩৩ রানের হার না মানা ইনিংস খেলতে মোসাদ্দেক খরচ করেন ৮৫ বল। অন্যদিকে ৬৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন আল আমিন।

এর আগে বিসিবি সাউথ জোন অলআউট হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৬৩ রানে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কুয়াশাভেজা কন্ডিশনে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক। বোলিংয়ে নেমে শুরুটা তেমন ভালো না হলেও ক্রমেই সাউথ জোনকে চেপে ধরে সেন্ট্রালের বোলাররা।

উদ্বোধনী জুটিতে ১১.৫ ওভারে ৫১ রান যোগ করে ফেলেছিলেন সাউথের দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও পিনাক ঘোষ। নাজমুল ইসলাম অপুর বলে এনামুল বিজয় লেগ বিফোরের ফাঁদে ধরা পড়লে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। বিজয় ৩৪ বলে করেন ২০ রান।

এরপর আর তেমন কোনো বড় জুটির দেখা মেলেনি সাউথের ইনিংসে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রান আসে পিনাকের ব্যাট থেকে। দলীয় ৬৪ রানের মাথায় সৌম্য সরকারের বলে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

ফাইনালের আগে লিগ পর্বের ম্যাচে সেন্ট্রালের বিপক্ষে সাউথের জয়ে ম্যাচসেরা ছিলেন তৌহিদ হৃদয়। আজ তাকে রানের খাতাই খুলতে দেননি নাজমুল অপু। পরে নাহিদুল ইসলাম ৩১, অমিত হাসান ২৯ ও জাকির হাসান ১৪ রান করতে সক্ষম হন।

সেন্ট্রালের পক্ষে বল হাতে দুইটি করে উইকেট নেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকার, হাসান মুরাদ, নাজমুল ইসলাম অপু ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিপুণ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়