অক্সিজেন সংকটে নোয়াখালীতে  করোনা চিকিৎসা ব্যহত

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ০৮:০৮ এএম, ১৬ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংকট দেখা দিয়েছে। যে কারণে করোনায় আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

জেলায় আক্রান্ত রোগির সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়লেও এ দুই হাসপাতালে বাড়েনি অক্সিজেনের সিলিন্ডার। এছাড়া কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও নেই। যে কারণে দেখা দিয়েছে সংকট। এ অবস্থায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত বা জটিল কোন রোগি ভর্তি হলে, চিকিৎসাসেবা দিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।

এদিকে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও ২০ শয্যার করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৩০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকার কথা থাকলেও, রয়েছে মাত্র ৬০টি। এখানে ২০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৩ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ভর্তি হওয়া এসব রোগিদের অক্সিজেনের দরকার হলে, হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালের সমন্বয়ক ডা. নিরুপম দাশ বলেন, জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগিদের শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রস্তুত করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। অল্প সময়ের মধ্যে স্টেডিয়ামকে হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। কোভিড হাসপাতালে হাই-ফ্লো ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন দরকার হলেও, তা এখানে করা যায়নি। সিলিন্ডারের অক্সিজেন দিয়ে রোগীকে ভালো রাখার চেষ্টা করছি। ১৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন হলেও মাত্র ৪২টি সিলিন্ডার দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে এ হাসপাতালে। তাও পরিমাণমত পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানান, এখানে ৮০টি শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছে ৫৪ জন রোগি। এ পর্যন্ত এ হাসপাতালে ১৪০ জন রোগি ভর্তি হয়েছেন এবং ৯১ জন সুস্থ হয়েছেন।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগি ভর্তি রয়েছেন। তাদের জন্য অন্তত ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন রয়েছে। অক্সিজেন সংকটের কারণে রোগীদের সেবা ব্যহত হচ্ছে।
জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্াবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে কখনও অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট হয়নি। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। আরও ৫০টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য চাহিদাপত্র দিয়েছি। সেগুলো এলে সংকটের অবসান হবে।


আরও পড়ুন