লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া সুমন ‘নৌ পুলিশের বাবুর্চি’!

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২০

ঢাকার বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ১৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার হওয়া সুমন ব্যাপারী সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের একজন বাবুর্চি বলে দাবি করেছেন টার্মিনালের একাধিক ভ্রাম্যমাণ হকার।

হকাররা বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেন, বিআইডাব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচারক একেএম আরিফ উদ্দিন ও নৌ থানার ওসি রেজাউল করিম ভূঁইয়ার এটা সাজানো নাটক।

হকারদের ভাষ্য, সুমন গত দুই বছর ধরে সদরঘাট ‘নৌ থানা পুলিশের একজন বাবুর্চি’ হিসাবে কাজ করে আসছিলেন।

এদিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ২৯ জুন রাত ১১টায় সুমন ব্যাপারীকে ভর্তি করার পর পর্যায়ক্রমে আট জন ডাক্তার তাকে বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করছে। ডাক্তারদের মতে, কোন ব্যাক্তি একটানা ৬ থেকে ১২ ঘণ্টা পানির নিচে ডুবে থাকলে তার শরীরের চামড়া, পশম, মাথার চুল, হাত পাসহ মুখমন্ডল সাদা ফেকাসে হয়ে বালিতে চুল আঠাঁ আঠাঁ হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে সুমনের বেলায় এমন কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। বা তার সুরাতহালে এমন কিছু পাওয়া যায়নি।

তাছাড়া তার পরনে লুঙ্গি ও গেঞ্জিতেও সেইরকম কোন নমুনা দেখা যায়নি। অন্যদিকে নৌবাহিনীর ডুবারো দলের সদস্যরা ২৯ জুন সুমনকে উদ্ধার করে তারা বলেছেন আট টি ইয়ার ব্যাগের সাহায্যে মনিং বার্ড লঞ্চটি যখন পানির নিচ থেকে নদীর উপড় অংশে উঠে আসে তখন হঠাৎ সুমন নামের ওই ব্যক্তি সাঁতরিয়ে উঠার চেষ্টা করলে ডুবুুরিরা তখন তাকে উদ্ধার করছে।

সুমন তার বক্তব্যে বলেছেন, তিনি ইঞ্জিন রুমে ছিলেন। সেখানে বুডে যাওয়ায় পর অনেক পানি খেয়ে তার পেট ভরে গেছে। পরে তিনি প্রসাব করে হালকা হন। তার তিনি পানিবন্ধি অবস্থা ওজু করে নামাজ আদায় করেছেন। তবে অনেকের ধারণা এগুলি তার কাল্পনিক সাজানো গল্প।