ওবায়দুল কাদের ‘বেয়াদব’ বললেন  তারেক রহমানকে

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ০২, ২০২২, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট: ডিসেম্বর ০৩, ২০২২, ১২:৩০ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট এএইচসি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারেক রহমান বলে হাসিনা পালাবেন, মন্ত্রীরা পালাবেন।

কিন্তু সে যে ১৪ বছর পালিয়ে আছে সে কথা বলে না কেন? ২০০৮ থেকে পলাতক তারেক রহমান বলে হাসিনা পালাবে। শেখ হাসিনাও বলে না। এত বেয়াদব। আমরা বেগম খালেদা জিয়া বলি। সম্মানের সাথে নেত্রীর নামটা উচ্চারণ করে না, ১৯ বছর যিনি ক্ষমতায় আছেন।

সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলন মানেই আগুন সন্ত্রাস। জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক, সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তারা জানান দিচ্ছে, তাদের আন্দোলন সহিংসতার উপাদান যুক্ত করবে। মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত, আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা অশান্তি চাই না।

আওয়ামী লীগ সম্পাদক আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ২১ আগস্ট মারতে চেয়েছেন। জিয়াউর রহমান মেরেছে বঙ্গবন্ধুকে। মুফতি হান্নান বলেছে, হাওয়া ভবন থেকে তার নির্দেশ পেয়ে গ্রেনেড হামলা করেছে। তারেক রহমানের লোকেরা এখান আমাদেরকে ভয় দেখান সে আসবে বীরের মতো। কাপুরুষের মতো যে পালিয়ে গেছে সে বীরের মতো আসবে? এত বছরে যা ঘটল না; এখন ঘটবে সেটা বিশ্বাস হয় না।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, যেখানে পাক হানাদার বাহিনীরা আত্মসমর্পণ করেছে। দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম সেরা ভাষণ, স্বাধীনতার ডাক, সেই স্মৃতি যেখানে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাদের ভয় কেন? তারা যে মনে মনে চেতনায় হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন না এটাই তার প্রমাণ। পল্টনে কয়টা লোক ধরবে। ছোট জায়গায় যাবে অঘটনের ভয়ে ফখরুল বলছেন। অঘটন কে ঘটাবে? বিআরটিসির গাড়ি পুড়িয়ে অঘটন কে ঘটাবে আপনারাই জানিয়ে দিলেন কারা অঘটন ঘটাতে পারে।  

কোম্পানীগঞ্জের আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিবদমান দ্বন্দ্বের জের ধরে ঘটে যাওয়া সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর কাছে এ সময় ক্ষমা প্রার্থনা করেন ওবায়দুল কাদের।

 

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়