প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২২, ০৭:২৩ বিকাল
আপডেট: মে ১২, ২০২২, ০৭:২৩ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের যুগ্মসচিব মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রথম দফায় ২২ জেলার ফল প্রকাশ করেছে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল http://www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।

গত ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে ঢাকাসহ ২২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে ছিল— চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা পরীক্ষা নেওয়া হয়। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো—

১. এ ফলাফল সাময়িক ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ফলাফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর’ কোনো শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনো নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

২. প্রকাশিত ফলাফলের যে কোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি /ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

৩. কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করলে কিংবা কোনো তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান /প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবেন।

৪. প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ অনুসরণপূর্বক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

৫. মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তীতে যথাসময়ে জানানো হবে।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৯৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে। এই ধাপে ৩০ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে ৩ জুন ৩১ জেলায় এই নিয়োগ পরীক্ষা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের যুগ্মসচিব মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ
প্রসূন আশীষ

২ মিনিটে পড়ুন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রথম দফায় ২২ জেলার ফল প্রকাশ করেছে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল http://www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।

গত ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে ঢাকাসহ ২২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে ছিল— চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা পরীক্ষা নেওয়া হয়। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো—

১. এ ফলাফল সাময়িক ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ফলাফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর’ কোনো শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনো নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

আরও পড়ুন: ‘জুলাইয়ের মধ্যেই প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ’

২. প্রকাশিত ফলাফলের যে কোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি /ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

৩. কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করলে কিংবা কোনো তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান /প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবেন।

৪. প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ অনুসরণপূর্বক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

৫. মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তীতে যথাসময়ে জানানো হবে।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৯৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে। এই ধাপে ৩০ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে ৩ জুন ৩১ জেলায় এই নিয়োগ পরীক্ষা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের যুগ্মসচিব মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ
প্রসূন আশীষ

২ মিনিটে পড়ুন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর প্রথম দফায় ২২ জেলার ফল প্রকাশ করেছে। এতে ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল http://www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।

গত ২২ এপ্রিল প্রথম ধাপে ঢাকাসহ ২২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৪ জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এসব জেলার মধ্যে ছিল— চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাগুরা, শেরপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার, লালমনিরহাট।

আর ৮ জেলার আংশিক পরীক্ষা পরীক্ষা নেওয়া হয়। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে— সিরাজগঞ্জ, যশোর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো—

১. এ ফলাফল সাময়িক ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ফলাফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর’ কোনো শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনো নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

আরও পড়ুন: ‘জুলাইয়ের মধ্যেই প্রাথমিকে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ’

২. প্রকাশিত ফলাফলের যে কোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি /ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

৩. কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করলে কিংবা কোনো তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান /প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবেন।

৪. প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ অনুসরণপূর্বক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

৫. মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তীতে যথাসময়ে জানানো হবে।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৯৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।

দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা হবে আগামী ২০ মে। এই ধাপে ৩০ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে ৩ জুন ৩১ জেলায় এই নিয়োগ পরীক্ষা হবে।

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়