নিউমার্কেট সংঘর্ষ: দুই দোকান কর্মচারী গ্রেফতার

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২, ০২:২৮ দুপুর
আপডেট: মে ১০, ২০২২, ০২:২৮ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় দোকান কর্মচারী কাওসার ও বাবুকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা দুজনেই ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মচারী।

সোমবার (৯ মে) রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (১০ মে) ডিবির সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

নিউমার্কেটের সংঘর্ষের সূত্রপাতে তারা জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর ডিবির দাবি তারাই টেবিল বসানোকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়ায়। ওয়েলকাম ফুডের অন্য কর্মচারীরা ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের ডেকে এনে সংঘর্ষ বাধায়।

ডিবির রমনা বিভাগের ডিসি আজিমুল হক বলেন, এ ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি মামলার মধ্যে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত রিমান্ডে আসামিদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনটি মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে।

এর আগে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সোমবার (৯ মে) ঢাকা কলেজের পাঁচ শিক্ষার্থীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের আব্দুল কাইয়ূম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের পলাশ ও ইরফান, বাংলা বিভাগের ফয়সাল, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের জুনায়েদ।

পুলিশের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনসহ পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। পরে আদালত তাদের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ১৮ এপ্রিল রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও পরদিন মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এ সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাহিদ হাসান ও মুরসালিন মারা যান। পরে গত ২০ এপ্রিল নিহত নাহিদের বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ মামলায় তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করেন। এই মামলায় ওই পাঁচ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর গত ২৮ এপ্রিল আদালত পাঁচজনকে দুদিন করে রিমান্ডে পাঠান।

 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়