উদ্বোধনের আর মাত্র
০০
দিন
০০
ঘণ্টা
০০
মিনিট
০০
সেকেন্ড

ছিতাইয়ের মোবাইল গ্রাহকের হাতে আইএমইআই পাল্টে

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২২, ০১:০৩ দুপুর
আপডেট: জুন ২৪, ২০২২, ০১:০৩ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

ঢাকা: ছিনতাই ও চোরাই মোবাইল অল্প দামে কিনে আইএমইআই নাম্বার পারিবর্তন করে বিক্রি করা হচ্ছে বাজারে। এক্ষেত্রে ছিনতাইকারীদের প্রধান টার্গেট পথচারীদের মোবাইল আর এসব মোবাইলের মূল ক্রেতা স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।

আইএমইআই পাল্টে ফেলায় খোয়া যাওয়া এসব ফোন সাধারণত উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। আর এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র চোরাই ও ছিনতাইকৃত মোবাইলের রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল একটি চক্র।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রাতে রাজধানীর বনানী ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ চক্রের মূলহোতাসহ ৭ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬৫ টি ট্যাব, ১ হাজার ১৫ টি স্মার্টফোন, ৩১৭ টি বাটন ফোন, ৬ টি সিমকার্ড ও নগদ ২০ হাজার ২১০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন- আবুল হোসেন (২৮), নজরুল ইসলাম (৪৬), তাজুউদ্দিন আহম্মেদ (৪৮), মাঈনউদ্দিন (৩০), সুজন মিয়া (২৩), মানিক (৩০) ও লিটন মিয়া (৪০)।

শুক্রবার (২৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রাজধানীর কারওয়ানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, এ চক্রের মূলহোতা আবুল হোসেনের নেতৃত্বেই ছিনতাইকারী ও চোর চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল স্বল্পদামে কিনে এনে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছেন।

চক্রটি ছিনতাই ও চোরাইকৃত মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সুযোগ বুঝে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিল। এর ফলে এসব মোবাইল পরবর্তীতে উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।

ছিনতাইকারীদের প্রধান টার্গেট থাকে পথচারীদের মোবাইল। আর এসব চোরাই মোবাইলের মূল ক্রেতা মূলত স্বল্প আয়ের মানুষ।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়