ভিডিও মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৯ জুন, ২০২৬ ০২:০৯ পিএম

নাতনিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা

নাতনিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, ছবি: সংগৃহীত।

মফস্বল ডেস্ক : যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় ইনামুল হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গতকাল সোমবার রাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নাতনিকে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। নিহত ইনামুল হোসেনের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায়। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি ছিলেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ইনামুলের বাড়ি ঝিকরগাছা উপজেলায় হলেও কাছাকাছি এলাকা মনিরামপুরে নাতনির বাড়িতে তার আসা-যাওয়া ছিল।

নিহত ইনামুলের ভাগনে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তার মামার এক ভাগনি নবম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে মনিরামপুরে বাবার বাড়িতে থাকেন। সেই মেয়েকে কুপ্রস্তাব দেন রাব্বি (২৩) নামের এক তরুণ। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জানালে ক্ষিপ্ত হন রাব্বি। এ নিয়ে রাব্বির সঙ্গে স্বজনদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে মামাকে হত্যার হুমকি দেন রাব্বি। গতকাল রাত ৯টার দিকে বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন তার মামা ইনামুল হোসেন। পথে রাব্বিসহ কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, নাতনিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রি ইনামুল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ইনামুলের স্ত্রী রেশমা খাতুন ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নাতনিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা

বড় জয় ফ্রান্সের, জিতেছে নেদারল্যান্ডসও

হরমুজ প্রণালির কাছে বিধ্বস্ত মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ক্রুদের অবস্থা জানালেন ট্রাম্প

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ভিত্তিহীন : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শর্ত মেনে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ’লীগের নেতাকর্মীরা : তথ্য উপদেষ্টা

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ট্রলি চাপায় চালকের মৃত্যু