খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ যা জানা গেলো
খালেদা জিয়ার সংকটাপন্ন শারীরিক পরিস্থিতির এখনও কোনও উন্নতি হয়নি। শারীরিক নানা জটিলতায় গত তিন দিন ধরে সিসিইউতে তার চিকিৎসা চলছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) তার রোগমুক্তি কামনায় দলমত নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষ দোয়া করায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।এছাড়াও ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়’ বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শুক্রবার রাতে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে মাঝরাতে হাসপাতালে যান মির্জা আব্বাস। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা দূরত্ব বজায় রেখে তার (খালেদা জিয়া) সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি, আমাদেরকে চিনতে পেরেছেন এবং আমরা সালাম দিয়েছি, উত্তর দিয়েছেন।জানা গেছে, নানা রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সিসিইউতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ধারাবাহিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে চলছে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান, দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বন্ধুপ্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এমন সংকটকালে যেকোনও সন্তানের মতো মায়ের পাশে থাকার ও স্নেহ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা তারও আছে। কিন্তু সেটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তার জন্য অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
রাজনৈতিক বাস্তবতার সেই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছালে দ্রুতই প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা তারেক রহমান ও তার পরিবারের। দলীয় নেতাকর্মীদের হাসপাতালের সামনে ভিড় না করার আহ্বান জানানো হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।এদিকে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গিয়েছেন এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল। এর মধ্যে রয়েছেন তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক





_medium_1764359188.jpg)

