বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
আজ ৭ নভেম্বর। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা সুরক্ষার অনন্য প্রতীক ‘ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস।’ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ৬ টা ১৬ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ রচনা প্রতিযোগিতা।
পরে, সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।
উদ্বোধনের পর বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. হারুন অর রশীদ। এরপর বক্তব্য প্রদান করেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. শহীদুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, একটি দেশের অগ্রযাত্রায় জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করতে অনুপ্রাণিত করে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের উচিত দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা এবং সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখা।’
সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. শামীম আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. মো. বায়তুল মোকাদ্দেছুর রহমান, ব্যবসায় ও আইন স্কুলের ডীন প্রফেসর ড. কানিজ হাবিবা আফরিন, আইন ও মানবাধিকার বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর আবু নাসের মো. ওয়াহিদ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মুন্সী ইসরাইল হোসাইন, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর ড. সুলতানা রাজিয়া, অর্থনীতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর মো. আব্দুর রশিদ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আব্দুল আউয়াল, পরীক্ষা নিয়স্ত্রক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার পারমিতা জামান, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুর রহমান এবং আইসিটি সেল-এর উপ-পরিচালক ফরিদুজ্জামান খানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ও শিক্ষার্থীরা।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/190198