বগুড়ায় চাকরি প্রত্যাশীদের ৯ দফা দাবিতে মানববন্ধন

বগুড়ায় চাকরি প্রত্যাশীদের ৯ দফা দাবিতে মানববন্ধন

শহর প্রতিনিধি: বগুড়ায় সরকারী চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে মানবন্ধন করেছেন চাকরিতে আবেদন প্রত্যাশি সমন্বিত বয়সবৃদ্ধি আন্দোলনের জেলার সাধারণ চাকরি প্রত্যাশীরা। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে মহানগরের সাতমাথায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চাকরি প্রত্যাশীরা জানান, সারাদেশে যৌথভাবে  এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানানো হয়। কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সভাপতি মোঃ রুমান কবির, মোছাঃ মারুফা খাতুন, মোঃ ফিরোজ আলম, মোঃ জোবায়ের হোসেন, মোঃ জহির আলম, মোঃ জাকারিয়া, মোঃ আশরাফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় আন্দোলনের ঘোষিত ৯টি দাবির সাথে বগুড়া থেকে আরও ৪টি দাবি জানানো হয়।  দাবিগুলো হলো: আন্তর্জাতিক মানদন্ডের সাথে সমন্বয় করে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০বছর করা, এনটিআরসিএ’র নিয়োগের ব্যবস্থা করা, সরকারি ও সামরিক ব্যাতীত ব্যাংক,বীমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়সসীমা উন্মুক্ত করা, প্রত্যেক নিয়োগ (প্রিলি, রিটেন, ভাইভা) প্রশ্নপত্রে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিক উত্তর প্রদান করে একই সাথে চূড়ান্ত নিয়োগের পূর্বে প্রিলি রিটেন ও ভাইভার পূর্ণ নম্বর পত্র অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা।

কেন্দ্র ঘোষিত অন্য দাবিগুলো হলো : পিএসসি কর্তৃক শুধুমাত্র রাজস্ব খাতের নিয়োগ পরীক্ষা গুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং পিএসসি আদলে অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা জন্য আলাদা আরেকটি কমিশন গঠন করতে হবে। উভয় কমিশনের স্বচ্ছতার জন্য আলাদা অডিট/তদন্ত কমিশন গঠন করা, শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও প্রশ্নফাঁস রোধ করতে হবে এবং প্রশ্নফাঁস কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, একই দিনে একই সময়ে বিভিন্ন গ্রেডের একাধিক চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা (এমনকি ১৭ টির অধিক) নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এই বৈষম্য বন্ধ করা, বিগত দেড় বছরে (২০ জানুয়ারি ২০২৫-৯ আগস্ট ২০২৬) ৩২ প্রত্যাখ্যানকারী রাজপথের নির্যাতিত বঞ্চিত মেধাবী ক্ষতিগ্রস্থ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দ্রুত আবেদনের সুযোগ দেওয়া, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ রুপরেখার ২৩ নং দফায় বিশেষ ভাবে উল্লেখিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী চাকরিতে আবেদনের বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়ন করা, ২০০৭-২০২৫ সাল পর্যন্ত বিগত সরকারের শাসনামলে লাগামহীন প্রশ্নফাঁস, দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ, প্রক্সি ও ডিভাইস বাণিজ্য, সেশনজট, করোনাকালীন মহামারী, রাজনৈতিক অস্থিরতায় নিয়োগ স্থবিরতা, নিয়োগ দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে চরমভাবে পিছিয়ে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত মেধাবীদেরকে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুযোগ প্রদান করে সংবিধানের ২৮ নং ধারা অনুযায়ী উপযুক্ত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করার  ব্যবস্থঅ করা।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/189896