এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ে বগুড়ায় মিষ্টি বিক্রিতে ধ্বস
শহর প্রতিনিধি: যে কোন সুখবর বা কৃতিত্বের শুভেচ্ছা জানাতে মিষ্টিমুখ করানোর সামাজিক রীতি বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে অতি প্রাচীন। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন রীতিমতো উৎসবের আমেজ বিরাজ করে সারাদেশে। সেই ধারাবাহিকতায় বগুড়াতেও থাকে উৎসবের আমেজ। বগুড়ার মিষ্টি ও দইয়ের সুনাম বিশ্বব্যাপী। কিন্তু এবার গতকাল শনিবার সারাদশের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয়ে সেই উৎসবে ভাটা পড়েছে।
নিকট আত্নীয়, শিক্ষক, অভিভাবক, সহপাঠীদের বাসায় মিষ্টি আদান প্রদানের জন্য বগুড়া মহানগরের মিষ্টির দোকানে নেই সেই চিরচেনা ভীড়। দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বগুড়ার মিষ্টির দোকানগুলোতে চলে মিষ্টি কেনার ধুম। এবার সেই পরিবেশ ভিন্ন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশিরভাগ দোকানে অবিকৃত রয়ে গেছে আজকের দিনের স্বাভাবিক উৎপাদিত বিভিন্ন পদের মিষ্টি।
সাতমাথা গোলচত্ত্বরের পাশের মিষ্টির দোকান, বিআরটিসি শপিং সেন্টারের গলির কয়েকটি সাশ্রয়ী মিষ্টির দোকান, কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের উভয় পাশের খ্যাতনামা মিষ্টি উৎপাদন কারী এশিয়া সুইটস, আকবরিয়া, কোয়ালিটি, শ্যামলী হোটেলগুলোর মিষ্টির শো-রুমের সামনে ছিল না বাড়তি কোন ক্রেতার উপস্থিতি।
বগুড়ার এশিয়া সুইটসের অন্যতম স্বত্ত্বাধিকারী ও পরিচালক মোঃ ফাতিন নূর সুদ্ধ জানান, অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের চাইতেও আজ উৎপাদনের তুলনায় বিক্রি নগণ্য। স্বাভাবিক দিনে যেখানে সাদা গোল মাঝারি সাইজের ৮০০-৮৫০কেজি ছানা থেকে উৎপাদিত মিষ্টি বিক্রি হয় সেখানে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৫০০কেজি ছানারও মিষ্টি বিক্রি হয়নি। তিনি আরও জানান বাড়তি আয়োজন থাকলেও স্বাভাবিকের চাইতে বিক্রি না হওয়ার পেছনে ফলাফল বিপর্যয় প্রধান কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/189359