রাজশাহী বোর্ডে সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার, কমেছে জিপিএ-৫
স্টাফ রিপোর্টার : এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এবারও কমেছে পাসের হার। এই বোর্ডে এবার পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। গত সাত বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন। কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরও সংখ্যা।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হয়।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে ৭৪৩টি কলেজ থেকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। বোর্ডে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৫২০ জন, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এ বছর রাজশাহী বোর্ডে ৭১ হাজার ৪২৮ জন ছাত্র অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। এছাড়া ছাত্রদের মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন, আর ৬৫ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। ২ হাজার ৫৫৫জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
২০২৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ, ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ, ২০২৩ সালে ছিল ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ, ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০২০ সালে ১০০ শতাংশ।
২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১০ হাজার ১৩৭ জন পরীক্ষার্থী, ২০২৪ সালে ২৪ হাজার ৯০২ জন, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ২৫৮ জন, ২০২২ সালে ২১ হাজার ৮৫৫ জন, ২০২১ সালে ৩২ হাজার ৮০০ জন এবং ২০২০ সালে ২৬ হাজার ৫৬৮ জন।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী রোর্ডে এবার শতভাগ পাস করেছে এমন করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও গত সাত বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এবছর মাত্র ৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী শতভাগ পাস করেছে। ২০২৫ সালে শতভাগ পাস করেছিল ১৮টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা, ২০২৪ সালে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ২০২৩ সালে ৩৭টি, ২০২২ সালে ৩১টি, ২০২১ সালে ১৬২টি এবং ২০২০ সালে ৭৫৬টি।
এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমলেও বেড়েছে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এবার ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি। গত বছর পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ৩৫টি। ২০২৪ সালে ছিল ১২টি, ২০২৩ সালে ৪টি, ২০২২ সালে ৯টি। এর আগে ২০২১ ও ২০২০ সালে শূন্য পাস করা কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/189266