অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের রানার্সআপ বাংলাদেশ
কোয়ার্টার-ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে উড়িয়ে দেওয়ার পর সেমি-ফাইনালে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে শিরোপার লড়াইয়ে আর পেরে উঠল না লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বিপক্ষে বড় হারে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের ই-টায়ারে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো বাংলাদেশকে।
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুক্রবার ই-টায়ারের ফাইনালে ৪-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।
প্রতিপক্ষের মোহি হ্যাটট্রিক করেন। বাংলাদেশের একমাত্র গোলটি করেন তাকিব।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। চতুর্দশ মিনিটে মোহির গোলে এগিয়ে যায় তারা।
দুই মিনিট পর পেনেলের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আফ্রিকার দলটি। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগায়। ২৩তম মিনিটে তাকিবের গোলে ব্যবধান কমায় তারা।
তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে আবারও দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে নেন মোহি।
৩৯তম মিনিটে আরেকবার জালের দেখা পেয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে ই-টায়ারের শিরোপা নিশ্চিত করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
ফাইনালে বড় ব্যবধানে হারলেও নকআউট পর্বে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ। গত বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার-ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা।
নবম মিনিটে বায়জিদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২৪তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাভেল। ৩৪তম মিনিটে শাবোকের গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-০। দুই মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন পাভেল।
এরপর সেমি-ফাইনালে গ্যাবনের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে নামে বাংলাদেশের কিশোররা। চতুর্দশ মিনিটে রাতুলের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে তারা।
এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল। আসরে অংশ নিয়েছে ১৮৯টি দেশের দল। আটজনের দল নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি ম্যাচে খেলা হয় ২০ মিনিটের দুই অর্ধে।
ছয়টি ভিন্ন টায়ারে ভাগ করা প্রতিযোগিতায় ই-টায়ারের ফাইনালে হেরে সামগ্রিকভাবে ১৩০তম স্থানে থেকে অভিযান শেষ করল বাংলাদেশ।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/189180