পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক : লাহোরে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ১১১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা ১৮.১ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।  বাঁহাতি পেসার দিলশান মাদুশঙ্কা ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৩৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করলে পাকিস্তান ২৫.৩ ওভারে ১১০ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে কামিন্দু মেন্ডিস অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংসে ভর করে ৩১.৫ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় লঙ্কানরা।

এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে এবং ফাইনালে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একে অপরের মুখোমুখি হবে। আগামী শনিবার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে।

মাদুশঙ্কার শর্ট-পিচ ডেলিভারিগুলোর মোকাবিলা করতে হিমশিম খায় স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন বাবর আজম। এছাড়া হাসান নাওয়াজ করেন ১৭ রান।

অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি শেষদিকে দ্রুত কিছু রান তোলার চেষ্টায় ১৩ বলে ১৫ রান করেন, যার মধ্যে ছিল দুটি ছক্কা। চতুর্থ ওভারে মাদুশঙ্কার একটি শর্ট ডেলিভারি ঠিকমতো খেলতে না পেরে পয়েন্ট অঞ্চলে ক্যাচ দিয়ে ৫ রানে আউট হন ফখর জামান। ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে আগের দিন যুক্ত হওয়া মাজ সাদাকাত নিজের প্রথম ম্যাচে ৮ রান করেন। এরপর আসিথা ফার্নান্দোর একটি ইয়র্কারে তিনি এলবিডব্লিউর শিকার হন।

মাদুশাঙ্কার বলে শর্ট কভারে ক্যাচ দিয়ে ৫ রানে আউট হন সাদ বেগ, আর সাহান আরাচ্চিগের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে সালমান আলী আঘা করেন ৯ রান।

বাবর আজম যখন এশান মালিঙ্গার বলে এলবিডব্লিউ হন তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৬১ রান।
মাদুশাঙ্কার বলে শর্ট কভারে ক্যাচ দিয়ে ৫ রানে আউট হন সাদ বেগ, আর সাহান আরাচ্চিগের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে সালমান আলী আঘা করেন ৯ রান। বাবর আজম যখন এশান মালিঙ্গার বলে এলবিডব্লিউ হন (২৯ রান করে), তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৬১ রান; ততক্ষণে তারা তাদের দুটি রিভিউই হারিয়ে ফেলেছিল।
এরপর শাদাব খান ২ রান এবং দুনিত ভেলালাগে হাসান নাওয়াজকে (১৭ রান) আউট করেন। পাকিস্তান ৯১ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে। মাদুশাঙ্কা ফিরে এসে বাকি উইকেটগুলো তুলে নেন। আরাচ্চিগে দুটি উইকেট নেন, আর আসিথা, মালিঙ্গা ও ভেলালাগে একটি করে উইকেট শিকার করেন।
সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কামিন্দু ও আভিশকা ফার্নান্দো উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৫ ওভারে ৫০ রান যোগ করেন। আভিশকা ১৭ বলে ১৬ রান করার পথে দুটি চার মারেন, এরপর শাহিনের বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে ফখর জামানের হাতে ধরা পড়েন। তবে কামিন্দু অর্ধশতকে সহজ তুলে নেয় তারা।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/188873