দুর্যোগ মোকাবিলা ও সামরিক প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই দিনব্যাপী দশম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (এলএফটি)-২০২৬ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে এ বৈঠক শেষ হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে সামরিক সহযোগিতা জোরদার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে সামরিক সহযোগিতা জোরদার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানস বিষয়ক ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল মেজর জেনারেল জাইলস জে. এস. কর্ণেলিয়া।
আইএসপিআর আরও জানায়, বৈঠকে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়।
বৈঠক শুরুর আগে গত ২৬ অক্টোবর সেনাসদরে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধান মেজর জেনারেল জাইলস জে. এস. কর্ণেলিয়া।
এ ধরনের বৈঠক দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/188871