ইরানকে রক্ষায় কোনো শক্তির অনুমতির প্রয়োজন নেই: মুখপাত্র

ইরানকে রক্ষায় কোনো শক্তির অনুমতির প্রয়োজন নেই: মুখপাত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর হুমকির জবাবে ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি জোর দিয়ে বলেছেন যে, আত্মরক্ষার জন্য ইরান কোনো শক্তির অনুমতি চায় না।

হুমকি দিয়ে ইরানকে ধ্বংস করা যাবে না, শীর্ষক প্রকাশিত এক নোটে মুখপাত্র উল্লেখ করেন, দেশ রক্ষায় ইরান কোনো শক্তির অনুমতির জন্য অপেক্ষা করবে না।

প্রকাশিত নোটে তিনি উল্লেখ করেন, ইদানীং ইরানের শত্রুরা এমনভাবে একটি জাতির ভাগ্য নিয়ে কথা বলছে এবং তা ধ্বংস করার ক্ষমতার দাবি করছে, যেন একক কোনো আদেশে একটি দেশকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা যায় এবং একটি সভ্যতাকে ইতিহাসের স্মৃতি থেকে মুছে ফেলা সম্ভব। মার্কিন কর্তৃপক্ষ এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, ইরানের ভাগ্য তাদের ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী লেখা হয় না।

এই জাতি হুমকিদাতাদের কাছে কখনো নিজের স্বাধীনতা বা স্বীয় ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার সমর্পণ করবে না। বারবার হুমকি পুনরাবৃত্তি করলেই এই সত্য বদলে যায় না, ঠিক যেমন চিৎকার করে কথা বললেই কোনো দাবি বাস্তবে পরিণত হয় না।

মুখপাত্র আরও বলেন, আমরা যুদ্ধের সৃষ্ট যন্ত্রণা জানি। আমরা বুঝি যে প্রতিটি ধ্বংসলীলার পেছনে জীবন বিপর্যস্ত হয় এবং প্রতিটি অকালমৃত্যুর পেছনে একটি পরিবার চিরতরে শোকাহত হয়।

এই কারণেই আমরা দায়িত্ববোধ নিয়ে শান্তির কথা বলি এবং যুদ্ধ রোধ করার চেষ্টা করি। তবে, এই দায়িত্ববোধকে ইরানের প্রতিরক্ষায় দ্বিধা হিসেবে দেখার ভুল কারো করা উচিত নয়। আমাদের জনগণের জীবন, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা এমন এক দায়িত্ব, যাতে আমরা কখনোই পিছপা হব না।

 

ইরান নিজেকে রক্ষা করতে কোনো শক্তির অনুমতির জন্য অপেক্ষা করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ভূখণ্ড রক্ষার দায়িত্ব দেশের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর ওপর ন্যস্ত এবং আক্রমণকারীদের অনুধাবন করতে হবে যে, আগ্রাসনের সিদ্ধান্তটি কোনোভাবেই পরিণতি ছাড়া পার পাবে না।

ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং এর জনগণের ইচ্ছাকে বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হওয়া যেকোনো মূল্যায়নই মৌলিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/188517