প্রাপ্তিগুলোর প্রতি শিরীন শিলা’র কৃতজ্ঞতা

প্রাপ্তিগুলোর প্রতি শিরীন শিলা’র কৃতজ্ঞতা

অভি মঈনুদ্দীন ঃ শিরীন শিলা, বাংলাদেশের সিনেমার একজন দর্শকপ্রিয় নায়িকা। কিছুদিন আগে কানাডাতে তিনি শুরু করেছেন বাবরের পরিচালনায় ‘ভায়োলেন্স’ নামের একটি সিনেমা। এই সিনেমায় গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয়ে দেখা যাবে বলে তিনি জানান। এই সিনেমার শুটিং চলাকালীন সময়েই কিছুদিন আগে তিনি কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন। সেখানে অনুষ্ঠিত ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’এ সিনেমার একজন অভিনেত্রী হিসেবে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন শিলা। এর আগেই একই সম্মাননায় আরো দুই বার ভূষিত হয়েছেন তিনি। একজন নায়িকা হিসেবে অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ এর আগে শিরীন শিলা ‘বাবিবাস’ অ্যাওয়ার্ডে দুইবার, এজেএফবি অ্যাওয়ার্ডে এবং ‘আনন্দমেলা লসঅ্যাঞ্জেলস’ একবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে সম্মাননায় ভূষিত হন। এছাড়াও বাংলাদেশের আরো বিভিন্ন সংগঠন থেকে শিরীন শিলা একজন অভিনেত্রী হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৪ সাল থেকে শিলা সিনেমায় অভিনয় করছেন। অভিনয়ে এক যুগ পার করেছেন তিনি।

শিরীন শিলা বলেন,‘ সিনেমাতে আমার অভিনয় জীবনের শুরু হয় শাকিব খানের সঙ্গে। এরপর আরো বহু সিনেমায় অভিনয় করেছি। দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি। দর্শকের এই ভালোবাসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। এর পাশাপাশি দেশে বিদেশে বিভিন্ন সংগঠন থেকে প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠত্বের সম্মাননাগুলোও আমার জীবনের চলার পথের অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এই প্রাপ্তিগুলো নিয়ে মাঝে মাঝে ভীষণ ভাবি যে একজন শিল্পী হিসেবে হয়তো কিছুটা হলেও বাংলাদেশের সিনেমায় আমার অবদান আছে বলেই দেশে বিদেশে সংগঠনগুলো আমাকে পুরস্কৃত করে। আনন্দমেলা লস অ্যাঞ্জেলস, ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড, বাবিসাস, এজেএফবি’সহ আরো বিভিন্ন সংগঠনের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই প্রাপ্তিগুলো আমাকে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে ভীষনভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সংবাদ মাধ্যমের প্রতি, সাংবাদিক ভাই বোনদের প্রতি, তারাও সবসময় আমার বিপদে আপদে পাশে ছিলেন। ধন্যবাদ আমার মা ও ভাইকে, কঠিন সময়ে আমার পাশে থাকার জন্য। আর দেখতে দেখতে এক যুগ পার হলে গেলো ভাবতে গেলেই অবাক হই এতো দ্রুত সময়ে চলে গেলো। এখনো সিনেমা নিয়ে আমার কতো কতো স্বপ্ন। ’

২০১৪ সালের ৬ অক্টোবর ঈদ উল আযহায় শিরীন শিলা অভিনীত ‘হিটম্যান’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এতে আরো ছিলেন শাকিব খান, মিশা সওদাগর প্রমুখ। এরপর শিলা অভিনীত ‘ক্ষণিকের ভালোবাসা’,‘ মিয়া বিবি রাজি’, ‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’,‘ বেগম জান’,‘ ঘর ভাঙ্গা সংসার’, ‘শেষ বাজি’,‘ ডাইরেক্ট অ্যাটাক’,‘ নদীর জলে শাপলা ভাসে’,‘ বীরাঙ্গনা ৭১’ সিনেমাগুলো মুক্তি পায়। উল্লেখ্য, সিনেমাতে অভিনয়ের আগে তিনি গুলশান এভিনিউ, রঙ্গের মেলা’সহ আরো বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/188466