বাংলাদেশকে হারানো জিম্বাবুয়ে পাত্তাই পেলো না আফগানিস্তানের কাছে
বাংলাদেশকে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করা জিম্বাবুয়ে পাত্তাই পেলো না আফগানিস্তানের কাছে। আবুধাবিতে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানরা।
বড় রান তাড়ায় ফজলহক ফারুকির তোপে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। বেন কারেন (০) আর তিসিগাকে (২) সাজঘরে পাঠান আফগান পেসার। অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলর ১ রান করেই পড়েন রানআউটে কাটা। ২৬ রানে ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
এরপর ৩১ রান করে ব্রায়ান বেনেটও ফিরলে ৪৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। রায়ান বার্লও সেট হয়ে গিয়েছিলেন অনেকটা।
এরপর টানা তিন ওভারে রশিদ খানের ঘূর্ণি জাদু। বার্ল ৩১ আর ওয়েসলি মাদভেরে ৫ রান করে এলবিডব্লিউ। হাফসেঞ্চুরির (৪৮) দোরগোড়ায় থাকা অধিনায়ক সিকান্দার রাজা বোল্ড।
১২৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বড় পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের। শেষ পর্যন্ত ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয় তারা।
রশিদ খান মাত্র ১৭ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট।
এর আগে ইব্রাহিম জাদরান সেঞ্চুরি মিস করলেন। তবে মিস করলেন না সেদিকুল্লাহ অটল। পুরো ৫০ ওভার খেলে শেষ বলে ২৯৪ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় আফগানরা। রহমানুল্লাহ গুরবাজ আর ইব্রাহিম জাদরান ৪৩ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তুলে দেন ৫০ রান। গুরবাজ অবশ্য মারকুটে ব্যাটিং করে ২০ বলে ২৫ করে ফিরে যান।
তবে সেদিকুল্লাহকে নিয়ে আরেক ওপেনার জাদরান ১৪০ রানের বড় জুটি গড়ে তোলেন। মাত্র ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন জাদরান। ৯৬ বলে ৯ চার আর ২ ছক্কায় তিনি খেলেন ৯০ রানের ইনিংস।
এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে সেদিকুল্লাহ দেখেশুনে খেলে সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১১০ বলে ৮ চার আর ১ ছক্কায় ১০২ রানের ইনিংস আসে তার ব্যাট থেকে। হাসমতউল্লাহ শহিদি করেন ২৮ রান।
জিম্বাবুয়ের ব্র্যাড ইভান্স আর আরনেস্ট মাসুকো নেন ৩টি করে উইকেট। ২টি উইকেট শিকার ব্লেসিং মুজারাবানির।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/188024