৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
গ্রাম পুলিশের আইনগত ক্ষমতা, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আগামী ৭ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে সারা দেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার গ্রাম পুলিশ সদস্যের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্রাম পুলিশ আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। তাদের আইনগত ক্ষমতা, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে। মহাসমাবেশেও গ্রাম পুলিশের সদস্যদের চাওয়া-পাওয়া ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো জানার সুযোগ থাকবে। তাদের দাবি ও প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে সেগুলো বাস্তবায়নের বিষয়টি দেখবে সরকার।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্তে সরকার এখনো বহাল রয়েছে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আরও তারিখ নির্ধারণের সুযোগ থাকলে তা বের করে যেন সব নির্বাচন জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়।
তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা বাজেট রাখা হয়েছে। এই অর্থবছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো আয়োজন করা সম্ভব না হলে বরাদ্দকৃত অর্থ অব্যবহৃত থেকে যাবে এবং পরবর্তী অর্থবছরে চলে যাবে। তবে জুনের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্তভাবে জানাতে পারবে। সরকার বিনয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে সরকার ও প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না। সব প্রার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার বিন্দুমাত্র কোনো কলঙ্ক নিতে রাজি নয়। নির্বাচন যেন উৎসবমুখর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। নির্বাচনে সব প্রার্থী যেন সমান সুযোগ পান, সেটি নিশ্চিত করাই সরকারের অবস্থান।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/187226