দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সিজেপি’র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লিতে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার আগে শীর্ষ নেতাদের আটক করা হলেও আন্দোলন থামবে না বলে জানিয়েছে দলটি।
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের সমালোচনা করেছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা। এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রথমে রাজধানীজুড়ে কার্যত অচলাবস্থা তৈরি করা হয়েছে। এখন রাজধানীর ভেতরে থাকা নাগরিকদের এবং দিল্লির পথে থাকা মানুষদের আটক করা হচ্ছে, ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়া হচ্ছে। তারা বলছে, তারা ভয় পায় না; তারা বলছে, বিক্ষোভ ব্যর্থ হবে। কিন্তু সত্য সবার সামনে। যন্তর মন্তর ২.০ শুরু হয়েছে।’
দলটির বিবৃতিতেও বলা হয়, ‘রাষ্ট্র যখন গণতান্ত্রিক ভিন্নমত দমনে ব্যাপকভাবে মানুষকে আটক করে, তখন গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণকেই দায়িত্ব নিতে হয়।’ সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ শক্তি প্রয়োগ করে একটি সাংবিধানিক আন্দোলন থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।
এর আগে দিল্লিতে প্রস্তাবিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করে ভারতের গুরুগ্রাম পুলিশ। এরপর দিল্লিতে অবতরণের পর বিমানের ভেতর থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এ সময় বিমানে ঢুকে পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুরো ঘটনা ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার করেন দীপকে। বিমানের ভেতরে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীও এমনটা করেননি। পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ। আমরা সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত।’
এদিকে যন্তর মন্তরে কড়াকড়ি আরোপের পর অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) জাতীয় সভানেত্রী নেহা বোরা পৃথক জায়গায় সমাবেত হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ দিল্লি হাটই হয়ে উঠছে যন্তর মন্তর! দেখা হচ্ছে সেখানে!’
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/186858