হুমকির কারণেই বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে : ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হুমকি থাকার কারণেই রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বোমারু বিমান সরিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার (৪ অক্টোবর) পেন্টাগন তাদের বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার কথা জানায়। ধারণা করা হচ্ছে, এক ডজনের মতো বি-১ বম্বার ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড়ে গেছে। এর আগে ঘাঁটির বাইরে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতারের পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কিছু হুমকির তথ্য ছিল। এ কারণে বিমানগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোনো হুমকির কারণেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমার ধারণা আমরা এটা বলতে পারি। সেগুলো তো এমনি এমনি উড়ে যায়নি। তিনি আরও বলেন, কিছু হুমকি ছিল। শুধু শুধু শত্রুকে আনন্দ না দিয়ে আমরা তাদের ধরবো এবং পেটাবো। কিন্তু সেগুলোকে (বোমারু বিমান) ওখানে রাখার দরকার কী? সে কারণে সেগুলোকে একটু সরিয়েছি। খুব বেশি দূরে নয়। এসময় তিনি জানান, ওয়াশিংটন জানে যে কারা এই হুমকিগুলো দিয়েছে, যদিও তিনি তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন বোমারু বিমানগুলোর জন্য ফেয়ারফোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিকে ঘিরে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হামলার পরিকল্পনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক পুঁতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ। তবে, ইরান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পরে, ওই পাঁচজনকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের ভ্যানে পেট্রোল পাওয়া গেলেও কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
এরপর গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে গ্রেফতার করে ব্রিটিশ পুলিশ। এসময় তার বিরুদ্ধে বিমানঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়। সূত্র : বিবিসি
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/186320