বগুড়ার সোনাতলায় লোডশেডিংয়ের দাপট, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ
সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সোনাতলায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যুতের অভাবে পড়ার টেবিলে বসেও ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না তারা। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি পরীক্ষার প্রস্তুতিও ব্যাহত হচ্ছে।
দিনভর নানা কাজে ব্যস্ত থাকার পর অনেক শিক্ষার্থী সন্ধ্যা ও রাতে পড়াশোনার জন্য সময় পায়। কিন্তু ওই সময়েই বিদ্যুৎ চলে গেলে পড়াশোনায় ছন্দপতন ঘটে। গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় একদিকে যেমন অস্বস্তি তৈরি হয়, অন্যদিকে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় পড়তে সমস্যায় পড়তে হয় শিশু-কিশোরদের।
এ বিষয়ে তেকানী এলাকার মোকারম মাস্টার, হরিখালী এলাকার আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, আড়িয়ারঘাট এলাকার জুলফিকার রহমান, ভেলুরপাড়া এলাকার মাসুম মাস্টার বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেড়েছে।
অনেকেই মোবাইল, কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পড়াশোনা করে। কিন্তু বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় এসব পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়ার আগ্রহ কমে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর কখন তা ফিরে আসবে-এ নিয়ে অনেক সময় অনিশ্চয়তা থাকে। ফলে প্রয়োজনীয় কাজের পরিকল্পনা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে গরমে শিশু ও বয়স্কদেরও দুর্ভোগ বাড়ে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার শিক্ষা।
আর সেই শিক্ষার পথে বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়-এমনটাই প্রত্যাশা সোনাতলাবাসীর। এ বিষয়ে সোনাতলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম ছাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বিদ্যুতের এমন লোডশেডিং হচ্ছে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/186274