মোহাম্মদ উল্লাহ’র নিমন্ত্রণে ‘আলবিয়ন আর্ট গ্যালারি’তে অপূর্ব
অভি মঈনুদ্দীন ঃ রাজধানীর উত্তরার লেকড্রাইভ রোডের ৫৫ নম্বর বাড়িটি উত্তরা কথা ঢাকা বাসীর কাছে ভীষণ পরিচিত একটি বাড়ি। কারণ এই বাড়িটি একটি শূটিং বাড়ি। খুউব সহজে যাকে সবাই ‘আনন্দবাড়ি’ নামেই সবাই চিনেন জানেন। এই শুটিং বাড়িতে নায়ক রাজ রাজ্জাক, নায়িকা ববিতা, মৌসুমী, পূর্ণিমা, পপি’সহ অভিনেতা আবুল হায়াত, আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মোস্তফা, দিলারা জামান, ডলি জহুর’সহ অপূর্ব, নিশো’সহ এই প্রজন্মের প্রায় সকল শিল্পীই অভিনয় করেছেন।
বিগত ১৮ বছর ধরে এই শূটিং হাউজের সার্বিক তত্ত্বাধানে আছেন মোহাম্মদ উল্লাহ। তবে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই ‘আনন্দবাড়ি’ রূপ নেয় ‘অ্যালবিয়ন আর্ট গ্যালারি’তে। এখানে বিশ্বের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন আহমেদ, কুন্তল বড়াই, মনজুর রশিদ, মি. মহিন, ফরিদা ইয়াসমিন, আলী পানজু, মনিরুজ্জামান, রিংকন, আশা আক্তার বকা, মনিরা আলমের আঁকা ছবি বাড়িটির ভিতরে বাহিরে সুসজ্জিত পরিবেশে দেয়ালে দেয়ালে স্থান পেয়েছে যা যে কেউ সুলভ মূল্যে ক্রয়ও করতে পারবেন। এই আর্ট গ্যালারি আবার কফি শপ। আগত অতিথিরা এখানে কফি পান করার পাশাপাশি ইতালিয়ান ভিন্ন রকমের পিৎজা’সহ স্টেকস, বার্গার, আর্বান র্যাপস, ইউরোপিয়ান ব্রেকফাস্ট, ইউরোপিয়ান রাইস মিলস, স্মুথিস, মিল্কসেক, গ্রিল সি বা উইথ অ্যাগ ব্রাস’সহ আরো নানান ধরনের খাবার খেতে পারবেন সুলভ মূল্যে। মোহাম্মদ উল্লাহ’র সঙ্গে আমাদের নাট্যাঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব’র বন্ধুত্ব দুই দশকের। এই আনন্দবাড়ি’তেই অসংখ্যবার মুটিং করেছেন অপূর্ব। শুটিং হাউজেই কাজের ফাঁকে গল্প আড্ডায় মেতে উঠেছেনে দুই বন্ধু। কিন্তু এবার প্রিয় বন্ধুকে মোহাম্মদ উল্লাহ তার আর্ট গ্যালাতি আনুষ্ঠানিকভাবে নিমন্ত্রণ করলেন গত বৃহস্পতিবার বিকেলে। ঠিক এই আর্ট গ্যালারি’র তৃতীয় তলায় এরইমধ্যে আবারো ‘আনন্দ বাড়ি’ হিসেবেই শুটিং হাউজের যাত্রা শুরু হয়েছে। সেখানেই এসআর মজুমদারের শুটিং থেকে বন্ধুর আর্ট গ্যালারিতে এসে বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা ছবি দেখলেন এবং নানান ধরনের মজার মজার খাবার খেলেন।
অপূর্ব বলেন,‘ মোহাম্মদ উল্লাহ আমার দীর্ঘদিনের প্রিয় বন্ধু। এই আনন্দবাড়ি কাম অ্যালবিয়ন আর্ট গ্যালারিতে আমার কতো কতো সময় কেটেছে কাজের কারণে তার হিসেবে নেই। আমার বন্ধুর ক্রিয়েটিভির সত্যিই ভীষণ প্রশংসা করতে হয়। তার মেধা দিয়ে সে আর্ট গ্যালারিটি সাজিয়েছে এবং প্রত্যেকটি খাবার এতো সুস্বাদু যে, যে কেউ অনায়াসে এখানে এসে পরিবার বন্ধু বান্ধব নিয়ে খেতে আসতে পারেন। আর কফি’তো এক কথায় অসাধারণ। আনন্দবাড়ি’র মতো অ্যালবিয়ন আর্ট গ্যালারির সুনামও ছড়িয়ে যাক সর্বত্র।’
মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন,‘ অপূর্ব দেশে আসার পর শুটিং নিয়েই ভীষণ ব্যস্ত থাকে। তারপরও আমার বন্ধু আমার নিমন্ত্রণে যে সময় দিয়েছে তাতে আসলে আমি এতোটাই আনন্দিত যে তার প্রতি ভীষণ কৃতজ্ঞতা রইলো।’
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/186135