বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার ফারাজানা শারমীন বলেছেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে প্রণীত নগর নীতিকে বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার রাজধানীতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী. বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স-এর সহযোগিতায় আয়োজিত জাতীয় নগর ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ফোরমটি আগামীকাল শেষ হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নগর নীতির টেকসই কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। নগরে বসবাসকারী প্রত্যেক ব্যক্তি তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বসবাস করবেন। তাদের মনে আশার আলো জাগ্রত থাকবে। সবুজে ঘেরা এই বসতিতে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবনে যেন দুর্ভোগ বয়ে না নিয়ে আসে, সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
ফারজানা শারমীন বলেন, আমরা আমাদের প্রিয় নগরকে শুধু আমাদের জন্যেই বাসযোগ্য করতে চাই না, বরং আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্যে আমাদের সন্তানদের জন্যে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। দুষণমুক্ত পরিবেশে তাঁরা যেন প্রাণ ভরে নি:শ্বাস নিতে পারে।
আলোচনায় অংশগ্রহন করে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স বলেন, এই ফোরামই শেষ নয়। আজ আমরা এখানে যা আলোচনা করেছি, তার ওপর ভিত্তি করে কাজ করার জন্য এটি একটি যৌথ দায়িত্বের সূচনা।
ব্রিটিশ হাই কমিশন ঢাকার ডেপুটি হাই কমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যান আশা প্রকাশ করেন যে, এই ফোরামটি বাংলাদেশে টেকসই নগর উন্নয়নে সহায়তাকারী অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর আকিরা মাতসুনগা বলেন, বাংলাদেশের নগর খাতে এডিবি একটি দীর্ঘদিনের অংশীদার। শহরগুলোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাসযোগ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার জন্য এই সহায়তাকে সমন্বিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।
ফোরামের আলোচনায় ঢাকা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও বিনিয়োগের কেন্দ্রীভ‚ত অবস্থার পাশাপাশি যানজট, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দূষণ এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মতো চলমান চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরা হয়।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/182723