নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার সোনাতলা রেলওয়ে স্টেশন
সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। বর্তমানে ওই স্টেশনের ২নং লাইনটি নিচুতে অবস্থান করায় ট্রেনে উঠানামা করছেন যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এমনকি প্লাটফর্মে নেই কোন ফ্যানের সংযোগ। ফলে ভ্যাঁপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলার সর্ব উত্তরে সোনাতলা স্টেশনের অবস্থান। প্রায় ৩১ কিলোমিটার উত্তরের এই স্টেশনটির দৈর্ঘ্য ১২৫০ ফুট। ওই স্টেশনে ১৫০ ফুট দীর্ঘ একটি টিনশেড ছাউনি নির্মান করা হয়েছে। প্লাটফর্মের তুলনায় শেড ছোট হওয়ায় ঝড়-বৃষ্টি এলেই যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। বৃষ্টিতে ভিজে ও রোদে পুড়ে যাত্রীদের ট্রেনে উঠানামা করতে হয়।
প্লাটফর্মের শেডে কোন প্রকার ফ্যানের সংযোগ ও ফ্যান নেই। এতে ভ্যাঁপসা গরমে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যাত্রীদের জন্য নেই কোন বিশ্রামাগার। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের প্রাকৃতিক কাজে পার্শ্ববর্তী বাসা-বাড়ির মালিকদের সাহায্য নিতে হচ্ছে। এছাড়াও নেই বুকিং করা মালামাল রাখার শেড ঘর।
ফলে মালামাল যেখানে সেখানে রাখতে হচ্ছে। স্টেশনের দুই পাশে সীমানা প্রাচীর না থাকায় সন্ধ্যার পর যাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় স্থানীয়রা ওই স্টেশনে একটি পুলিশ ফাঁড়ি ও ওভার ব্রিজ নির্মানের দাবি তুলেছেন। সম্প্রতি স্টেশনে আন্ত:নগর এক্সপ্রেস বুড়িমারি ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য স্থানীয় নাগরিক কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে।
এ বিষয়ে সোনাতলা স্টেশন মাস্টার আব্দুল মাজেদ বলেন, বগুড়ার সোনাতলা স্টেশনটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই স্টেশনে ঢাকাগামী দু’টি ট্রেনের স্টপেজ রয়েছে। ঢাকাগামী যাত্রীদের জন্য মাত্র ৩০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তবে তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত এই স্টেশন থেকে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে সরকার লাখ লাখ টাকা প্রতি মাসে আয় করেন।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/182472