শজিমেক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু নিয়ে স্বজনদের অভিযোগ

শজিমেক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু নিয়ে স্বজনদের অভিযোগ

শহর প্রতিনিধি : শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে মৃত্যুবরণ করা  আব্দুল মালেকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তাকে আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাদ যোহর জানাজা শেষে সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর মাঠপাড়া গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার স্ত্রী রেহেনা জানান, আব্দুল মালেক পেশায় চটপটি বিক্রেতা ছিলেন।

আনুমানিক ২০ বছর যাবত মহানগরের বিসিক এলাকায় তিনি চটপটি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। তার দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অসুস্থ্যতা বোধ করায় স্বাভাবিক অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা যে চিকিৎসাপত্র দেন তাতে যে ইনজেকশনের নাম দেওয়া ছিল তা পুশ করার পর অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকেন তিনি। এরপর এ নিয়ে স্বজনরা লক্ষ্য করেন তাদের কে এখলাছ নামের অন্য রোগীর চিকিৎসাপত্র দেওয়া হয়েছে।

আব্দুল মালেকের চিকিৎসাপত্রে কোন ইনজেকশনের নাম দেওয়া ছিল না। এ বিষয়ে মৃত আব্দুল মালেকের মেয়ে জামাই মোঃ রিপন এবং ভাতিজা হৃদয় ইসলাম তথ্যগুলো নিশ্চিত করেন এবং তাদের কাছে থাকা চিকিৎসাপত্রের ছবি সরবরাহ করে বলেন, রোগী মৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু চিকিৎসাপত্র রদবদলে রোগীর মৃত্যুতে অবহেলা এটা মেনে নেয়া যায়না।

আমরা চাই বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক। সেইসাথে ওই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই সময়ে রোগীর সাথে থাকা আব্দুল মালেকের স্ত্রীর ব্যবহৃত একটি বাটন ফোন, একটি টেবিল ফ্যান এবং মাল্টিপ্লাগ হাসপাতালের লোকজন কেড়ে নিয়েছে। পরে সেগুলো আর ফেরত পাওয়া যায়নি।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/182284