আগামীতে মসলাজাতীয় পণ্য আমদানি করতে হবে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে মসলাজাতীয় পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে। ফলে এ সময়ের পর মসলাজাতীয় পণ্য আর আমদানি করতে হবে না।
মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘মরিচ আমদানি করতে দেখে তাঁর খারাপ লাগে। মৌসুমে কৃষকেরা উৎপাদিত মরিচের ন্যায্য দাম পান না, অথচ বর্ষা মৌসুমে আবার সেই মরিচই আমদানি করতে হয়। কোনো সময় কৃষকরা এক কেজি মরিচের দাম ১০ টাকাও পান না। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা মরিচ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করতে চাই।’
দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বর্ষা মৌসুম চলছে। এ সময়ে ফসল উৎপাদন করা কঠিন হওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। এর প্রভাব বাজারদরে পড়ে।
সারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই; বরং সার উদ্বৃত্ত রয়েছে। একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। সরকার তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে এবং খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
তিনি বলেন, ‘এরা দুষ্কৃতকারী, ষড়যন্ত্রকারী। সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে, কৃষকেরাও এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া এবং কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব। আলোচনা সভার সম্পাদনায় ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/182074