সারাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তীব্র রোদে বিপর্যস্ত জনজীবন স্বস্তি নেই কোথাও
স্টাফ রিপোর্টার : তীব্র রোদে বিপর্যস্ত জনজীবন। বর্ষা শেষে শরৎ শুরু হলেও দেশজুড়ে চলছে অস্বাভাবিক গরম। রোদে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। নাভিশ্বাস উঠেছে মানুষের। দিনের আলো ফোটার পর থেকেই প্রকৃতির এই উত্তাপে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বগুড়ার তাপমাত্রা উঠেছে প্রায় ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকার জন্য মানুষ দর দর করে ঘামছেন এবং দিনমান একই রকম ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এই অবস্থার মধ্যে একটু আশার বানী শোনাচ্ছেন আবহাওয়া অফিস। পূর্বাভাসে জানিয়েছেন সারাদেশেই হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় হবে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
গত কয়েক দিনে বৃষ্টির তোড়জোড় কম থাকায় বাতাসে জমেছে জলীয় বাষ্প। দিনে তো বটেই, রাতেও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকলেও গরম অনুভূত হচ্ছে আরও বেশি। এর মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে জীবন আরও দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৬ টায় বগুড়ায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ ৯টায় ৭০ শতাংশ এবং সন্ধ্যা ৬টায় ৬৪ শতাংশ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, দেশজুড়ে গড়ে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৭০ থেকে ৮৫ শতাংশ।
বগুড়া অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ আলম বলেন, ‘বর্তমানে দক্ষিণমুখী বাতাস বইছে। বৃষ্টি না থাকায় পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। শরীর ঘামলেও সেই ঘাম সহজে শুকাচ্ছে না। সেজন্য তাপমাত্রার চেয়ে গরমের অনুভূতি দুই থেকে তিন ডিগ্রী বেশি হচ্ছে।’ গ্রীষ্মের মত গরমে পুড়ছে নগর-জনপদ। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই। বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকায় আঁচটা খুব বেশি। এর ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কর্মজীবী মানুষের জীবন। তীব্র দাবদাহে সবচেয়ে কষ্টে আছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা। তারা বাইরে বের হলেই অতিরিক্ত ঘামে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বগুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/181518