সরকারের ১৮০ দিন এম’পি মোশারফের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে বগুড়ার কাহালু
কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার কাহালু উপজেলায় শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে চলেছেন কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।
বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাস্তাঘাট নির্মাণ, সংস্কার, খাল খনন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে কাহালু উপজেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, মালঞ্চা আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় উচল বাড়িয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কালাই রাজবাটী দাখিল মাদ্রাসা।
এছাড়াও উপজেলার অঘোর মালঞ্চা, পিড়াপাট, আয়রা, কানোড়া, শিলকওঁর, শেখাহার, জয়তুল, উলট্ট, দেওগ্রাম ও দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও সংস্কারকাজের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
পাশাপাশি, কাহালু পৌরসভার রাস্তা, কালভার্ট, ড্রেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের কাছে অতিরিক্ত ৫ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছেন এম’পি মোশারফ হোসেন।
স্থানীয় জনসাধারণের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। জেলা পরিষদ ও জিএসআইডি-২ প্রকল্প এর আরওতায় ধাওয়াপাড়া বায়তুল্লাহ্ জামে মসজিদ, পাইকড় বাজার ঈদগাহ মাঠ, কালাই দেওয়ান পুকুর মহাশ্মশান, আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ মসজিদ, মুরইল ধরপাড়া সর্বজনী মন্দির, নারহট্ট সর্বজনী পূজা মন্দির এবং কাহালু থানা মসজিদ উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপজেলার ২০টি হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান (মন্দির ও পূজামণ্ডপ)-এর প্রতিটির জন্য ১ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দের জন্য জেলা পরিষদে তালিকা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে ডা. আব্দুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিনোদ কল্যাণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ক্রয়ের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, তাইরুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণসহ ৬ তলা ভবন), আল্লামা তাকিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (৪ তলা ভবন), মুরইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (৪ তলা ভবন), বিবিরপুকুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৪ তলা ভবন), কাহালু বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল (নতুন ৪ তলা ভবন)।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করাই হলো আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে গতি আসবে এবং উপজেলাবাসী এর সুফল ভোগ করবে। তিনি এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুশাসন ও নাগরিক নিরাপত্তায় উপজেলাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/180948