দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সার বিক্রি নিয়ে বিপাকে ডিলাররা
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আমন মৌসুমে সার বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ডিলাররা। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘খামারি অ্যাপ’-এ জমির ধরন ও ফসল বিবেচনায় যে পরিমাণ সার ব্যবহারের সুপারিশ করা হচ্ছে, অনেক কৃষক তার তিন থেকে চার গুণ বেশি সার দাবি করছেন। এতে কৃষক-ডিলারদের মধ্যে বাগ্বিতন্ডতা ও বিরোধের সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিলাররা বলছেন, অ্যাপের সুপারিশের বাইরে সার বিক্রি করলে সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার না দিলেও উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হচ্ছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হচ্ছে। ফসল ও মাটির গুণাগুণ বিবেচনায় খামারি অ্যাপে সারের সুপারিশ করা হয়। বুলাকিপুর ইউনিয়নের ডিলার ইশতিয়াক আহম্মেদ খান বলেন, ডিএপি ও এমওপি নিয়ে সমস্যা নেই, তবে টিএসপি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপ।
ঘোড়াঘাটে ১৯ জন ডিলারের জন্য প্রতি মাসে টিএসপি বরাদ্দ ১৩৫ মেট্রিক টন। বিঘাপ্রতি ৬ থেকে ৭ কেজি টিএসপি প্রয়োজন হলেও কৃষকেরা ১৫ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত দাবি করছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুজ্জামান বলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার ব্যবহার করলেই ফলন বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং অতিরিক্ত সার ব্যবহারে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আমরা ডিলারদের পাশাপাশি কৃষকদের এ বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করছি।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/180811