নেতানিয়াহুর নির্বাচনি পোস্টারে খামেনি-এরদোয়ান-মামদানির ছবি!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলে আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির একটি নির্বাচনী পোস্টার ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। পোস্টারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, হিজবুল্লাহপ্রধান নাঈম কাসেম এবং নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির ছবি রাখা হয়েছে। আর এর জবাবে নেতানিয়াহুর বিরোধীরা একই ধরনের পাল্টা পোস্টার প্রকাশ করে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
সংবাদমাধ্যম উইয়ান নিউজ ও জেরুজালেম পোস্ট বলছে, ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি আসন্ন অক্টোবরের নির্বাচনের আগে একটি বিলবোর্ড প্রকাশ করেছে। এতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে মোজতবা খামেনি, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং নাঈম কাসেমের ছবি রাখা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, এই চারজনই নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় চান।
সংবাদমাধ্যম উইয়ান নিউজ ও জেরুজালেম পোস্ট বলছে, ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি আসন্ন অক্টোবরের নির্বাচনের আগে একটি বিলবোর্ড প্রকাশ করেছে। এতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে মোজতবা খামেনি, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং নাঈম কাসেমের ছবি রাখা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, এই চারজনই নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় চান। বিলবোর্ডে লেখা হয়েছে, ‘তারা নেতানিয়াহুকে হারাতে চায়, তাদের জিততে দেবেন না’। ভোটারদের উদ্দেশে এই বার্তা দেয়া হয়েছে। নেতানিয়াহুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিলবোর্ডটির একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তাদের জিততে দেবেন না’।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সাবেক প্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন দল ইয়াশার এই বিলবোর্ডের একটি পরিবর্তিত সংস্করণ প্রকাশ করেছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘তারা আইডিএফকে ধ্বংস করতে চায়, নেতানিয়াহুকে জিততে দেবেন না।’ ইয়াশার দলের প্রকাশিত পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘নেতানিয়াহু, আপনার প্রচারণার পাল্টা জবাব আমরা দিয়ে দিলাম। শুধু আইজেনকটই একটি পুরোপুরি জায়নবাদী সরকার গঠন করতে পারবেন।’
অন্যদিকে আইনপ্রণেতা নামা লাজিমি একই বিলবোর্ডের আরেকটি সংস্করণ প্রকাশ করেছেন। এতে খামেনি, এরদোয়ান ও মামদানির জায়গায় কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি, নেতানিয়াহুর সাবেক কৌশলগত উপদেষ্টা ইয়োনাতান উরিখ, সাবেক নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র এলি ফেল্ডস্টেইন এবং সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা শ্রুলিক আইনহর্নের ছবি বসানো হয়েছে। তাদের সবাইকে কাতারগেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হয়।
কাতারগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে নেতানিয়াহুর সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগ রয়েছে, হামাসের সঙ্গে জিম্মি মুক্তির আলোচনা পরিচালনার সময় তারা কাতারের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিল।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/180268