বাংলাদেশের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ অশ্বিন

বাংলাদেশের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ অশ্বিন

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দারুণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দিন যেখানে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা, সেখান থেকে ব্যাট হাতে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে তারা। বাংলাদেশের এমন অসাধারণ প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ হয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের চেয়ে ১৫৩ রানে এগিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

দিনটির সবচেয়ে বড় অর্জন এসেছে তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাট থেকে। মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। দারুণ ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণকে সামলে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে দেন তিনি।

তানজিদের পাশাপাশি নাজমুল হোসেন শান্তও খেলেছেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। তিনি তুলে নিয়েছেন ৮৪ রান। দিনের শেষ দিকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের দৃঢ় ব্যাটিং বাংলাদেশকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।

বাংলাদেশের এই পারফরম্যান্স বিশেষভাবে নজর কেড়েছে অশ্বিনের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের সাবেক এই অলরাউন্ডার বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তনের প্রশংসা করেন।

অশ্বিন লেখেন, ‘ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে বাংলাদেশ, এমন ঘটনা কারও স্ক্রিপ্টেই ছিল না। প্রস্তুতি ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার পর প্রথম টেস্টের প্রথম দুই দিন দাপট দেখানো, কী দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন! টেস্ট ফরম্যাট যেন দীর্ঘজীবী হয়।’

প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের হতাশা পেছনে ফেলে মূল টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বিপক্ষে অসাধারণ দৃঢ়তা দেখাচ্ছে টাইগাররা।

বিশেষ করে তানজিদের সেঞ্চুরি এবং শান্তর ৮৪ রানের ইনিংস বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। শেষ দিকে মিরাজ ও হাসানের ব্যাটিং দৃঢ়তায় অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ।

এখন পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে। তৃতীয় দিনে ব্যাট হাতে আরও বড় লিড নিতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হবে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/179913