ইরানি হামলার ভয়ে খাবারের গাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন ট্রাম্প!

ইরানি হামলার ভয়ে খাবারের গাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত মাসে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা যখন চরমে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কে গিয়েছিলেন ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে। কিন্তু সম্মেলন শেষে স্বাভাবিকভাবে আর দেশে ফেরা হলো না তার। ইরানি হত্যাচেষ্টার হুমকি এড়াতে আশ্রয় নিতে হলো প্লেনের জন্য খাবার পরিবহনের গাড়িতে।

ইরানের সম্ভাব্য হত্যাচেষ্টার হুমকির কারণে ট্রাম্পকে গোপনে অন্য একটি প্লেনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। যদিও তুরস্কে যাওয়ার সময় ট্রাম্প কাতারের দেওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ প্লেনে যান। তবে ফেরার সময় তিনি ওই প্লেন ব্যবহার না করে এয়ার ফোর্স ওয়ানের পুরোনো একটি প্লেনে ওঠেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে তাকে ওই প্লেনে চড়তে দেখা যায়।

কিন্তু ট্রাম্প সেদিন দ্বিতীয় ওই প্লেনেও ফেরেননি। পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের প্লেনে ওঠার কয়েক মিনিট পরেই খাবার পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ক্যাটারিং ট্রাকের মাধ্যমে ট্রাম্পকে গোপনে নিয়ে যাওয়া হয় ছোট আরেকটি প্লেনে।

বিষয়টি এতটাই গোপন ছিল যে, সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউজের কিছু কর্মকর্তাও জানতেন না ট্রাম্প আসলে কোন প্লেনে রয়েছেন। তারা যখন মনে করছিলেন ট্রাম্প পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই রয়েছেন, তখন তিনি আসলে ছিলেন তৃতীয় একটি প্লেনে।

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের কাছে জানতে চাওয়া হলে যোগাযোগ পরিচালক স্টিভ চিয়াং সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেছেন, কাতারের দেওয়া প্লেনটিতে প্রেসিডেন্ট ও তার কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শত্রু ট্রাম্পকে নিশানা করছে বলে তিনি নিজেই দাবি করেছেন।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/179619