‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’-এ মুগ্ধতা ছড়ালেন স্বপ্নীল সজীব
অভি মঈনুদ্দীন ঃ বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী স্বপ্নীল সজীব। গানে গানে মুগ্ধতা ছড়ানোই যার অদম্য নেশা। দু’দিন আগে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা এবং ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি)-এর যৌথ উদ্যোগে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াাণবার্ষিকী উপলক্ষে ‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক এক সঙ্গীত ও আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন করা হয় ঢাকার গুলশান-এর ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টারে।
অনুষ্ঠানের সূচনায় উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি তাঁর বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বজনীন মানবতাবাদ, সাহিত্য, দর্শন এবং মানবতায় তাঁর অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব। তিনি পরিবেশন করেন আগুনের পরশমণি, আমার হিয়ার মাঝে, তুমি রবে নীরবে, ও যে মানে না মানা, মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান, ভরা বাদর, মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে, যে রাতে মোর দুয়ারগুলি, লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, আজি ঝড়ের রাতে এবং সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে। সামিউল ইসলাম পোলাক মহামুৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র দিয়ে অবৃৃত্তি পর্বের সূচনা করেন। এরপর তিনি রবীন্দ্রনাথের আরোগ্য , মরণ, মৃালিনী দেবীকে লেখা চিঠি, নিমন্ত্রণ, কৃপণ, গীতাঞ্জলি, ভ্রষ্টলগ্ন, শেষের কবিতা এবং ভানুসিংহের পদাবলী থেকে কবিতা আবৃত্তি করেন। শিল্পী স্বপ্নীল সজীব বাংলাদেশসহ ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের দুটি জাতীয় পুরস্কারসহ ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিকপ্র্রতিষ্ঠানের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইন এবং ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটায় অতিথি প্রভাষক হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন।
‘ইতি রবীন্দ্রনাথ’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতীয় হাই কমিশন ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরন্তন সাহিত্য, সঙ্গীত ও দর্শনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন কর। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত শিল্পীবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে সম্মানিত করা হয়
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/179395