ডিসেম্বরের মধ্যে বগুড়া বিমানবন্দর উদ্বোধনের পরিবেশ সৃষ্টির তাগিদ
স্টাফ রিপোর্টার: অচিরেই বগুড়া বিমানবন্দরের কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যাতে বিমানবন্দর উদ্বোধনের পরিবেশ সৃষ্টি করা করা যায় এধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য আলোচনা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বগুড়া বিমানবন্দরের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বগুড়া সদর আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল এএফএম শামীমুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হয়েছে। মত বিনিময় সভায় এই সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দুপুর ১টায় ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস্ স্কুলে এ মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস স্কুলের অফিসার কমান্ডিং গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মুহাম্মদ রায়হান, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা, বগুড়া বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং অঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিমানবন্দরের সম্ভাব্য ভূমিকা তুলে ধরেন। এসময় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বাস্তবায়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এয়ার ভাইস মার্শাল শামীমুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ সরকার বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বিদ্যমান এয়ারফিল্ডটিকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিমানবন্দরটির পাশাপাশি এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য একটি ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এতে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা, আমদানি-রপ্তানি ও পণ্য পরিবহনে (কার্গো সুবিধা) গতি আনা এবং এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি পূর্ণাঙ্গ ঘাঁটি বা স্টেশনও স্থাপন করা হবে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা জানান, এয়ার ভাইস এয়ার অফিসার কমান্ডিং মার্শাল শামীমুল ইসলামের সাথে বগুড়া বিমানবন্দরের অগ্রগতি,কোথায় কী সমস্যা তা দ্রুত সমাধান করে কাজ শুরু করা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আলোচনায় প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু এবং পরবর্তীতে অধিগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা করাহয়। সভায় বিমানবন্দর এলাকায় বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ৮ একর এবং সাধারণ মানুষের ৩ থেকে ৪ একর জমি নিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর তাগিদ রয়েছে। কাজ শুরুর পাশাপাশি জমি অধিগ্রহনের বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/178124