ঠাকুরগাঁওয়ে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার হলেও মামলা নেয়নি থানা
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অপহরণ এবয় পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও থানায় মামলা গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারীর বিরুদ্ধে। ন্যায়বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার শেষ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গত ১ জুলাই গভীর রাতে উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের জওগাঁও গ্রামের প্রবাসী মিলন ইসলামের নবম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় একই এলাকার তিন যুবক। দীর্ঘসময় খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাড়ির টয়লেটের পাশ থেকে কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন।
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর কিশোরীর মা বাদি হয়ে একই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে পাভেল, সাহাদতের ছেলে বাদল এবং শাহাজাহানের ছেলে রিমন আলীর বিরুদ্ধে রাণীশংকৈল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন। শুরুতে মামলা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে নানা অজুহাতে তা গ্রহণ করা হয়নি। একপর্যায়ে ওসি তাদের আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, থানা থেকে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বাধ্য হয়ে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে একজন কর্মকর্তা এবং পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেন রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, ঘটনাটি আমার কাছে সত্য মনে হয়নি। তাই মামলা গ্রহণ করা হয়নি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/177377