বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ভিসা সহজীকরণের উদ্যোগ

বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ভিসা সহজীকরণের উদ্যোগ

বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (বিমসটেক) মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডে বলেছেন, বিমসটেক সদস্য দেশগুলো ভিসা সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আরও বেশি বাণিজ্য, ভ্রমণ, পর্যটন এবং পারস্পরিক আদান-প্রদান হবে।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ কথা বলেন।

বিমসটেক সচিবালয়ে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ-ডিকাব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মহাসচিব।

এ সময় ইন্দ্র মণি পান্ডে বলেন, বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলো একটি ‘ভিসা সহজীকরণ স্কিম’ চূড়ান্ত করার কথা ভাবছে, যেখানে বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে। যেহেতু এই স্কিমে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেই বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখনও কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি... তাই এই স্কিমে কী থাকতে পারে তা নিয়ে এখন কথা বলা আমার জন্য অনুচিত হবে।

তিনি বলেন, একটি বিষয় জোর দিয়ে বলতে চাই, সব সদস্য রাষ্ট্রই পুরোপুরি বোঝে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আরও বেশি বাণিজ্য, ভ্রমণ, পর্যটন এবং পারস্পরিক আদান-প্রদান বাড়াতে হলে ভ্রমণের স্বাচ্ছন্দ্য অর্থাৎ ভিসা সহজীকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই কারণেই গত বছর যখন ভিসা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ দল বৈঠক করে তখন তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, আমরা সদস্যদের মধ্যে ভিসা সহজীকরণের একটি স্কিম নিয়ে একসঙ্গে কাজ করব। এখন তারা শেষ পর্যন্ত ঠিক কী ধরনের স্কিমে সম্মত হবেন, তা জানতে আমাদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বিমসটেক দেশগুলোর বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব বলেন, আমরা বেশ আশাবাদী আগামী মাস ও বছরগুলোতে আমরা কিছু চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি দেখতে পাব।

তিনি বলেন, শুধু এটুকুই বলতে চাই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি-এফটিএর অধীনে আলোচনা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এমনকি যখন দ্বিপাক্ষিক এফটিএ নিয়ে আলোচনা হয়, তখনও অনেক সময় লেগে যায়। আর যখন অনেকগুলো দেশ একসঙ্গে কাজ করে এবং তারা বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী হওয়ার পাশাপাশি তাদের নিজস্ব কিছু উদ্বেগ ও অগ্রাধিকার থাকে, তখন এই প্রক্রিয়ায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার চেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/177063