বগুড়ার আদমদীঘিতে টানা বৃষ্টিপাতে ফসলের ক্ষতি কয়েকটি অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা

বগুড়ার আদমদীঘিতে টানা বৃষ্টিপাতে ফসলের ক্ষতি কয়েকটি অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে গত দুই দিনের বৃষ্টিপাতে রোপা আমন ধানের বীজতলা, কাঁচা মরিচ গাছ ও শাক-সবজির ক্ষেত পানির নীচে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরের সহকারি কমিশনার (ভুমি), খাদ্যগুদাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, শিক্ষা অফিস ও হাই স্কুল মাঠসহ কয়েকটি অফিসের সামনে জলাবদ্ধতার কারণে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন ভুক্তভোগিরা। জরুরী ভিক্তিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষন মহল মনে করেন।

আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলা রোপা আমনের বীজতলা, শত বিঘা মরিচ ও শাক-সবজির ক্ষেত প্রায় পানির নীচে তলিয়ে নষ্ট হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে রোপা আমন ধানের বীজ তলা, কাঁচা মরিচের গাছে পচন ধরতে শুরু করেছে। মরিচ চাষীরা জমি থেকে পানি সেচ দিয়েও কুলাতে পারছেনা। ফলে মরিচের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। শাক-সবজির আবাদেরও একই অবস্থা।

বীজতলা ডুবে যাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। উপজেলার তেঁতুলিয়া, শিবপুর, উজ্জলতা, কোমারপুর, কাশিমালকুড়ি, সালগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা রোপা আমন ধান বীজ, কাঁচা মরিচ, শাক-সবজির আবাদ করেছেন। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে এসব জমিতে পানি জমে সবজিসহ অন্যান্য পণ্য প্রায় পানির নীচে তলিয়ে নষ্ট হতে যাচ্ছে। এভাবে বৃষ্টিপাত হতে থাকলে সব আবাদই নষ্ট হবে বলে কৃষকরা মনে করছেন।

কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, এবার প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচ, প্রায় ৪শ’ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি ও রোপা আমন ধান লাগানোর জন্য বিপুল পরিমান জমিতে ধান বীজ ফেলানো হয়েছে। এই বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় সব জমিতে পানি জমে আছে।

তবে উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন বলে কৃষক জহুরুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, মমতাজ উদ্দিনসহ অনেকই জানান। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম জানান, বৃষ্টিপাত কমলে অল্প সময়ে জমি থেকে পানি নেমে গেলে আবাদের তেমন ক্ষতির আশংকা থাকবেনা।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/175830