বগুড়ায় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন
স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বিসিবি’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে এক প্লাটুন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মোতায়েন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর ফলে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার পাশাপাশি এই স্টেডিয়ামকে ঘিরে গড়ে ওঠা ছিনতাই ও মাদক সিন্ডিকেট দমন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর প্রচেষ্টায় শহীদ চান্দু জেলা স্টেডিয়াম ভেঙ্গে আধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। ২০০৪ সালে এই ষ্টেডিয়ামে অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। আউটফিল্ড এবং উইকেটের মান নিয়ে বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটাররা প্রশংসা করলে রাতরাতি শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের খ্যাতি বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুততম সময়ে ফ্লাডলাইট স্থাপন করা হয়।
২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ভেন্যুর মর্যাদা পায় এই স্টেডিয়াম। কিন্তু ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের পর প্রায় দেড় যুগ কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন হয়নি। ফলে আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী স্টেডিয়ামের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাতিল করে।
বিগত সরকারের সময় বিসিবির অবহেলায় ছিনতাইকারী ও মাদকসেবীদের আস্তানায় পরিনত হয় স্টেডিয়াম এলাকা। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ফাঁড়ী স্থাপন করা হলেও তারা স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিসিবির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৫ জুন থেকে ১৬ সদস্যের স্বশস্ত্র আনসার বাহিনী সার্বক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয়।
শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জামিলুর রহমান জামিল বলেন, স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করেও চুরি ঠেকানো সম্ভব হয়নি। আনসার সদস্যদের মোতায়েনের ফলে স্টেডিয়ামের সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে আমরা মনে করছি।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/175745