যুদ্ধ বন্ধে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি সই
আন্তর্জতিক ডেস্ক : ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা লড়াই বন্ধের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে একটি রূপরেখা চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতেরা যৌথভাবে এ চুক্তি ঘোষণা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার এবং লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদাহ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তবে চুক্তিটির বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি কর্মকর্তারা। চুক্তির বিষয়ে নাদা হামাদাহ বলেন, ‘লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধার, স্থায়ীভাবে বৈরিতার অবসান, বাস্তুচ্যুত মানুষের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়া এবং সব লেবাননির শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে বেঁচে থাকার পথে এ রূপরেখা চুক্তি একটি প্রথম পদক্ষেপ।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন পর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এতে লেবানন-ইসরায়েল নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। পরে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু এবং কিছু এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার বলেন, এ চুক্তির চূড়ান্ত লক্ষ্য, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। লেইটার আরও বলেন, ‘একটি প্রকৃত শান্তি হলো, যেখানে দুই দেশই নিরাপদে বসবাস করবে এবং ইসরায়েল ও লেবানন পরস্পরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান ও রক্ষা করবে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন পর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েল-লেবানন নতুন সংঘাতের সূত্রপাত হয়। পরে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু এবং দেশটির কিছু এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। চলতি বছরের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া অন্তত ৩৭ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও দ্রুতই তা ভেস্তে যায়। এর আগেও বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর কোনোটিই কার্যকর হয়নি।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/174036