বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পেটালেন যুবদল নেতাকে

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পেটালেন যুবদল নেতাকে

স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ায় বিরোধপূর্ণ জামিতে বাড়ি নির্মানকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন যুবদলের এক নেতাকে। আজ বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে বগুড়া শহরের নিশিন্দারা উত্তরপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।

আহত যুবদল নেতা আইনুল শেখ মহনগর যুবদলের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গেছে, নিশিন্দারা উত্তরপাড়া এলাকায় জনৈক জায়েদের সাথে একই এলাকার নুরুন্নাহার বেগমের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধপুর্ন জমিতে বাড়ি নির্মান কাজ শুরু করে জায়েদ।

এ বিষয়ে নুরুন্নাহার বেগম বগুড়া সিটি কর্পোরেশনে অভিযোগ করেন। সিটি কর্পোরেশন থেকে গত ৯ জুন নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয় এবং আগামী ২৪ জুন এ বিষয়ে উভয় পক্ষের শুনানীর তারিখ নির্ধারন করা হয়। সিটি কর্পোরেশনের নোটিশ উপেক্ষা করে বাড়ি নির্মান কাজ চলমান রাখায় শনিবার বেলা ৩ টার দিকে অভিযোগকারী নুরুন্নাহারের ছেলে যুবদল নেতা আইনুল শেখ সিটি কর্পোরেশনের লোকজন সাথে নিয়ে সেখানে যান।

এসময় জায়েদের ছেলে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম বাপ্পী তার লোকজন নিয়ে যুবদল নেতা আইনুল শেখের উপর হামলা করেন। একপর্যায় তাকে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। যার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

যুবদল নেতা আইনুল শেখ বলেন গত শুক্রবার সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিশ দিয়ে আসার পর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহ আলম বাপ্পী আমার মা নুরুন্নাহার বেগমকে মারধর করে। এঘটনায় ১২ জুন সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। বুধবার আমি সিটি কর্পোরেশনের লোকজনের সাথে ঘটনাস্থলে গেলে শাহ আলম বাপ্পী আমার উপর হামলা করে।

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহ আলম বাপ্পী বলেন, আমি ৩৫ রাজনৈতিক মামলার আসামি ছিলাম। এখন আমার দল ক্ষমতায়। আমার জমিতে বাড়ি নির্মান করছি। সেখানে যুবদল নেতা বাঁধা দিতে আসে। একারনে তাকে মারধর করেছি। আগামী ২৪ তারিখে সিটি কর্পোরেশনে শুনানী হবে। তার আগে কাজ বন্ধ করবো কেন?

বগুড়ার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই)  রমজান আলী বলেন নিশিন্দারা উত্তরপাড়ায় জমি নিয়ে মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পুলিশ সেখানে যাওয়ার আগেই মারামারি শেষ হয়ে যায়।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/172941