ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগের তদন্ত

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগের তদন্ত

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিরুদ্ধে দোকান ঘর, হোটেল, অফিস, আড্ডাখানা ও কবুতর ঘর নিমার্ণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেছেন।

ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সরকারি জমি দখল ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত ১ জুনের এক চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (শিক্ষা ও আইসিটি) আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে সদস্য সচিব করে গঠিত কমিটিতে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে সদস্য করা হয়। তদন্ত কমিটির আহবায়ক আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সরেজমিন তদন্ত করেন। উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে কমিটির সকল সদস্য ও অভিযুক্তের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু) তার অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, শুধু আমি সরকারি জমি দখল করেছি এমন না। আরও যারা অবৈধভাবে সরকারি জমি দখল করেছে তাদেরকেও উচ্ছেদ করতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী মোর্শেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তদন্ত কাজ করছি। এ বিষয়ে এখন কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/172819