মাদারীপুরে মানবপাচার মামলায় শাশুড়ি গ্রেপ্তার, জামাতাকে খুঁজছে পুলিশ
মাদারীপুর জেলার শিবচরে মানবপাচার মামলায় কুলসুম বেগম (৪২) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই মামলার মূল আসামি কুলসুমের জামাতা কুদ্দুস রহমানকে (৩৫) গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার (১৩ জুন) রাতে শিবচর উপজেলার কেরানীবাট থেকে কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুলসুম শিবচরের কেরানীবাট গ্রামের সামাদ খানের মেয়ে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সদর উপজেলার চর খোয়াজপুর গ্রামের মৃত বজলু হাওলাদারের ছেলে সালাউল্লাহকে (২২) সরাসরি ইতালি নেওয়ার চুক্তি হয় শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে কুদ্দুসের সঙ্গে। চুক্তি মোতাবেক ২০ লাখ টাকা দিলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর সানাউল্লাহকে সৌদি আরব হয়ে লিবিয়া নিয়ে আটকে নির্যাতন চালায় দালালচক্র।
এ ঘটনায় গত পহেলা জুন সানাউল্লাহর দুলাভাই, দুধখালী গ্রামের আব্দুর রশিদ খানের ছেলে রনি খান (৩৭) বাদী হয়ে মাদারীপুর মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে কুদ্দুসসহ ১১ জনের নামে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে সদর মডেল থানায় মামলা এজাহারভুক্ত করা হয়। অভিযান চালিয়ে কুদ্দুসের শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। আদালতে তোলা হলে বিচারক কুলসুমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার মামলায় শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামাইসহ বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।