বাজেটে রেস্তোরাঁয় খাবারের ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব 

বাজেটে রেস্তোরাঁয় খাবারের ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব 

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাইকেল, কাজুবাদাম, আমদানি করা মাছ এবং রেস্তোরাঁয় খাবারের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে এসব পণ্য ও সেবার দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যেখানে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার কর কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বাইসাইকেলের যন্ত্রাংশ ফ্রি হুইল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশে উন্নীত করার কথা। আমদানিনির্ভর ভোগ্যপণ্যের মধ্যে কাজুবাদামের ওপর বড় ধরনের শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের শুল্ক এক শতাংশ থেকে এবং প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। ফলে বাজারে আমদানি করা কাজুবাদামের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উচ্চমূল্যের আমদানি করা হিমায়িত মাছ এবং পাঙাশ মাছের ফিলেটের ওপরও নতুন কর আরোপ করা হয়েছে। হাই-ভ্যালু আমদানি করা মাছের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং পাঙাশ ফিলেটের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এতে আমদানি করা মাছের খুচরা দাম বাড়তে পারে।

গ্রিজ প্রুফ পেপার ও গ্লাসিন প্রুফ পেপারের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা ও একই সঙ্গে ৫টি কাচাঁমাল আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্কের প্রস্তাব করেছেন মন্ত্রী।

গ্রিজ প্রুফ পেপার এবং গ্লাসিন পেপার উভয়ই মূলত তেল ও চর্বি প্রতিরোধী কাগজ। গ্রিজ প্রুফ পেপার একটি ফুড-গ্রেড কাগজ, যা তৈলাক্ত বা আর্দ্র খাবার যেমন—বার্গার, স্যান্ডউইচ, পিজ্জা বা ভাজাপোড়া মোড়ানোর জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। গ্রিজ প্রুফ পেপার এবং গ্লাসিন পেপার যথাক্রমে সাধারণ ফাস্ট ফুড ও দৈনন্দিন খাবার মোড়ানোপ্রিমিয়াম ফুড প্যাকেজিং ও শৌখিন কাজে ব্যবহৃত হয়। এসব পণ্যের ওপর করভার বাড়ানোর ফলে রেস্তোরায় খাবারের দাম বাড়বে।

পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/172233