মশা মারা শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, ডোবার পাশে বসতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
মশা নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ পাঁচ কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁদের এই বিদেশ সফরের অনুমোদন দেননি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সোমবার (১ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে।
মশা নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমোদন না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশ সফরের অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, মশা নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও ফ্লোরিডা রাজ্যে একটি কারখানা ও একটি ল্যাব পরিদর্শন করতে চেয়েছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদল। এই দলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন ছাড়াও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির চৌধুরী এবং ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলামের থাকার কথা ছিল। তাঁদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, মশকনিধন উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানে ভ্যালেন্ট বায়োসায়েন্সেস এলএলসির অর্থায়নে সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন ও পাঁচজন কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা যাওয়ার প্রস্তাব ছিল।
এই প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়।
ওই সারসংক্ষেপ পাঠানো হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন, ‘মশকনিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যেকোনো ডোবার পাশে দু–তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশকনিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা জানান, সিটি করপোরেশন মশা নিধনে প্রায় পৌনে চার কোটি টাকার আধুনিক প্রযুক্তির কীটনাশক বিটিআই (বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস) কিনেছে। বর্তমানে এই ও